সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার কেশবপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. জাহাঙ্গীর (পিতা মৃত গজম্বর)-কে গ্রাম থেকে বিতাড়িত এবং তার বসতঘর উচ্ছেদ করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। এ সময় তার বাড়ি তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও বিভিন্ন চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর বিগত ৭-৮ বছর ধরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও মাদক সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। গ্রামবাসী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ দেন। কিছুদিন পূর্বে সে উত্তরপাড়ার গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে লিখিত স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, সে সব অপরাধ ছেড়ে ভালো হয়ে যাবে। তখন তাকে শেষবারের মতো সতর্ক করে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
তবে সেই প্রতিশ্রুতির তোয়াক্কা না করে সে অপরাধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে। সম্প্রতি একটি বাড়ি থেকে চুরি হওয়া পানির ট্যাংকি তার ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক চুরির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে।
এরই প্রেক্ষিতে কেশবপুর গ্রামের সালিশ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, জাহাঙ্গীরকে গ্রাম ত্যাগ করতে হবে এবং তার বসতঘর উচ্ছেদ করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘর ভেঙে উচ্ছেদ করে।
উচ্ছেদ অভিযানকালে তার ঘর তল্লাশি করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও চোরাই সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৭–৮টি মোবাইল ফোন ও ১০–১১টি সিম কার্ড, ৮–১০টি ছুরি/চাকু ৩–৪টি লম্বা রামদা ও ৪–৫টি বাঁশের দা,একটি বড় তালা কাটার কাটার (লক কাটার),একটি খামার থেকে চুরি হওয়া সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য সামগ্রী।
গ্রামবাসী জানান, বারবার সুযোগ দেওয়ার পরও জাহাঙ্গীর নিজের স্বভাব পরিবর্তন করেনি। পুরো এলাকা তার অপরাধের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং গ্রামকে চোর ও মাদকমুক্ত করতেই সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। বিষয়টি পরবর




