স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যখন যে মহল্লা থেকেই ফোন আসে, তিনি তাৎক্ষণিক সাড়া দেন। কখনো নিজে ছুটে যান, কখনো পুলিশের টিম পাঠিয়ে দেন। ফোন পাওয়ার সাথে সাথেই তাঁর নির্দেশ – “লোক পাঠাও, নয়তো আমি নিজেই আসছি”। তাঁর এমন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মাঝে এবং বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাং এর মতো সামাজিক অপরাধও অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালেও কচুয়া থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ থেকে ৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।
জানা যায়, তিনি গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে কচুয়া থানায় পুনরায় ওসি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আজ পর্যন্ত মাদকসহ ৫ থেকে ৬ শতাধিক মাদক মামলার আসামিকে মাদকসহ গ্রেফতার করে মাদক মামলা দিয়ে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে চাঁদপুর জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। মাদক নির্মূলের জন্য তিনি বিভিন্ন স্থানে নিজ উদ্যোগে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন ও অনুমোদন দিয়েছেন।
এলাকাবাসীর মতে, এর আগে কোনো ওসির এমন সাহসী ও নিরলস ভূমিকা ছিল না, যা রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। তাঁর এই অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ইতিমধ্যে চাঁদপুর জেলা পুলিশ থেকে ৩ বার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
ওসি আজিজুল ইসলামের এই ত্যাগ ও পরিশ্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছে কচুয়ার সচেতন মহল, কড়ইয়া আল হিকমাহ সোশ্যাল কমপ্লেক্স ও মাদকবিরোধী কমিটির নেতৃবৃন্দ।




