আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য-সদস্যা প্রার্থীরা। এরি ধারাবাহিকতায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার ১নং কলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সৎ, শিক্ষানুরাগী, অসম সাহসী ও সহজ-সরল মানবিক ব্যক্তিত্বের প্রতীক কালিগঞ্জ বাজার বনিক সমিতি সভাপতি, কলাবাড়ী ইউনিয়ন পূজা উজ্জাপন ফ্রন্ট এর সভাপতি, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি প্রভাষ চন্দ্র বৈদ্য(বি.এ) নিয়মিত নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের প্রয়াত কানাই লাল বৈদ্যের কনিষ্ঠ পুত্র। যিনি ন্যায়পরায়ণ, সৎ, ধর্মপ্রাণ হিসেবে ইউনিয়নব্যাপী সমাদৃত।
সরেজমিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেশ কিছু সচেতন, সাধারন, সু-নাগরিকদের কাছ থেকে জানা যায়, বেশ পূর্ব থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তিনি গণসংযোগ করে আসছেন। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মী, যুবকবৃন্দ ও মুরুব্বীরা তার সঙ্গে থাকেন। এছাড়াও তিনি তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন মন্দির, মসজিদ, গীর্জা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, ক্লাবে ও মেধাবী অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের অনুদান দিয়ে আসছেন।
কথা হয় ভোটারদের সঙ্গে। ইউনিয়নের বাসিন্দা বিপুল চন্দ্র বাড়ৈ, সুমিত অধিকারী বলেন, প্রভাষ চন্দ্র বৈদ্য(বি.এ) সৎ এবং যোগ্য প্রার্থী। তিনি অতীতে সুখে-দুঃখে আমাদের পাশে ছিলেন। সময় পেলেই তিনি বিভিন্ন মাঠে গিয়ে স্থানীয় যুবকদের সাথে সময় কাটান। খেলাধুলার সামগ্রী কিনে দেওয়া সহ বিশেষ করে অপরাধ মূলক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার দিকনির্দেশনা দেন। নিয়মিত বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের, অসহায় অসুস্থদের অনুদান দিয়ে আসছেন। আর এজন্যই তিনি যুবকসহ সকল বয়সের মানুষের কাছে সুপরিচিত ও সম্মানের। ইউনিয়নকে মাদক সহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দুরে রাখতে তাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে প্রত্যাশা করি।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অতুল চন্দ্র বাড়ৈ এবং চিত্ত রঞ্জন দাস বলেন, আজকাল শিক্ষাগত যোগ্যতা ব্যক্তিত্বের থেকেও টাকার ভ্যালু বেশি। জানিনা তার ভাগ্যে কি আছে? সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজ (বর্তমানের মাদারীপুর সরকারি কলেজ নামে পরিচিত) থেকে পড়াশোনা করে সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমে নিজের সময়গুলো কাটিয়ে দিচ্ছে প্রভাষ চন্দ্র বৈদ্য। তিনি পারেন একটি সমাজ পরিবর্তন করতে। সকল ভোটারদের কাছে আমার দাবি সুবিধাবাদীদের ব্যাপারে সতর্ক থেকে। দুর্দিনের বন্ধু সৎ মেধাবী তাকেই নির্বাচিত করুন।
এক পর্যায়ে কথা হয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীর সঙ্গেও। ব্যবসায়ী থেকে জনপ্রতিনিধি হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রভাষ চন্দ্র বৈদ্য(বি.এ) বলেন, ‘পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে বর্তমান সরকারের চলামান উন্নয়নের ধারাকে বেগবান করতে এবং সমবণ্টনের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি।’ আমি আমার এলাকায় বিভিন্ন অঞ্চলে পরিদর্শণকালে মসজিদ, মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবস্থা দেখছি ও উন্নয়নের জন্য প্রত্যান্ত অঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
সাধারণ মানুষের দুর্দশা লাঘবে কি পদক্ষেপ অবলম্বন করবেন এ বিষয়ে জানাতে চাইলে প্রভাষ চন্দ্র বৈদ্য বলেন, আধুনিক হিমাগার, মার্কেট নির্মানসহ সমাজব্যবস্থা বিধ্বস্ত হওয়া থেকে বিরত রাখতে আমি জনসাধারণের স্বপ্ন পূরনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো, সরকার কতৃক সাধারণ জনগণের জন্য গৃহীত সকল সুযোগ সুবিধা সমবন্টনের মাধ্যমে প্রাপ্যদের নিকট পৌছে দেবো আর আমি কোন উৎকোচ নিব না, সৎ উপায়ে অর্জিত টাকা বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে ব্যায় করবো, সকল সমাজের যুবকদের ও মুরব্বিদের একসাথে নিয়ে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাবো, এলাকার মাদক নির্মূল করবো। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়নবাসীকে পরিকল্পিত উন্নয়ন উপহার দেব। জাতি ধর্ম বর্ন নির্বীশেষে আমি আপনাদের সকলের নিকট আশীর্বাদ/দোয়া প্রার্থী।
যেহেতু আপনি এলাকায় সৎ পরোপকারী হিসেবে সকলের সুপরিচিত সেহেতু স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সম্পর্কে কতটুকু গুরুত্ব দিবেন এমন প্রশ্নের জবাবে প্রভাষ চন্দ্র বৈদ্য বলেন, দুর্নীতিকে বিদায় দিয়ে আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চাই। যেখানে চেয়ারম্যান হবে একজন প্রভাষ চন্দ্র বৈদ্য নয়, ইউনিয়নের এক একটি জনগণ। আপনারা নিজেকে চেয়ারম্যান মনে করবেন। আপনাদের সকল সমস্যা তুলে ধরার জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা থাকবে। আমি চাই আপনারা প্রতিটি টাকার হিসেব এবং নাজ্য অধিকার বুঝে নিবেন। একজন সু নাগরিক হিসেবে আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি এবং থাকতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা আর ভালোবাসা থাকলে সকল দুর্নীতিকে বিদায় করে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে চাই পরম মহান করুনাময় সৃষ্টিকর্তা ভরসা। পরিশেষে বলতে চাই, জনতা সাড়া দিচ্ছে, জনতা কথা বলছে, জনতা শুনছে, জনতা স্বপ্ন দেখছে, বারবার প্রতারিত জনতা শেষ বারের মতো আশার আলোও দেখছে। আমি আপনাদের প্রমাণ করে দেবো, জনতার এবারের স্বপ্নটা মিথ্যে ছিল না ছিল বাস্তব।




