সাম্প্রতিক
সাহায্য চাইতে প্রতিবেশী যুবকের কাছে ধর্ষণ-ব্লাকমেইলের শিকার প্রবাসীর স্ত্রী, অতঃপর… নারীদের নগ্ন ছবি জমানোই আলিফের নেশা, বাদ যায়নি নিজের স্ত্রীও কালজানি নদীর ভাঙনে ধলডাঙ্গা গ্রাম বিপর্যস্ত, বিলীন শতাধিক বসতভিটা টাঙ্গাইলের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল পত্নীতলার যুবকের লোহাগড়ায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত দেশ দেখার নেশায় ঘর ছেড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মোবাশ্বের, সঙ্গী দুই চাকার বাহন কুষ্টিয়ায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি, হাসপাতালে ভর্তি গলাচিপা সদর ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণের দাবিতে মানববন্ধন করছেন স্থানীয় জেলেরা বরিশালের কেডিসি বস্তি থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার নওগাঁর মান্দায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি : ২ দিনে দুই বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৬

নারীদের নগ্ন ছবি জমানোই আলিফের নেশা, বাদ যায়নি নিজের স্ত্রীও

মঙ্গলবার,৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণীদের ফাঁদে ফেলে নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণের পর তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মো. আলিফ হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার (৮ জুন) টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁর ধামইরহাট থানা পুলিশ।

​গ্রেপ্তার আলিফ হোসেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার চরবিরসিংহ এলাকার বাসিন্দা।
​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার এক তরুণীর নগ্ন ও আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা ধামইরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ মামলা রুজু করে। পরে বিষয়টি আমলে নিয়ে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্তে নামেন ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। পরবর্তীতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং সাইবার অ্যানালাইসিস ব্যবহার করে অভিযুক্ত আলিফের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

জাইমা রহমানের ছবি দিয়ে ‘আপত্তিকর’ পোস্ট, যুবক গ্রেপ্তার
​এদিকে গ্রেপ্তারের পর আলিফের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করে পুলিশ। এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তল্লাশিতে মোবাইলটিতে ধামইরহাটের ওই তরুণী ছাড়াও আরও তিন মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও এবং ছবি পাওয়া গেছে। এমনকি নিজের স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও তিনি মোবাইলে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন।

​পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আলিফ স্বীকার করেছেন যে, তিনি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মেয়েদের সঙ্গে প্রথমে সখ্যতা গড়ে তুলতেন। এরপর কৌশলে তাদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তা মোবাইলে জমিয়ে রাখতেন। পরবর্তীতে এসব ছবি দিয়ে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল বা জিম্মি করে বিভিন্ন ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করতেন তিনি। মূলত এই ঘৃণ্য অপরাধের মাধ্যমে তিনি এক ধরনের বিকৃত আনন্দ পেতেন।

গ্রেপ্তার আসামিকে ইতোমধ্যেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :