বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) প্রাপ্ত নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুককে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তাঁর পেশাগত কর্মকাণ্ড ও ভাবমূর্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্য প্রচারের ঘটনায় সচেতন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
পেশাগত দক্ষতা, নিষ্ঠা, সততা ও সাহসিকতার পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জননিরাপত্তা ও জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিপিএম-সেবা পদক লাভ করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়ে তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। ভুয়া আইডি ব্যবহার করে কারও নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হলে তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো পোস্ট, ভিডিও বা বক্তব্য বিশ্বাস কিংবা শেয়ার না করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
গত ২৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
তাঁর নেতৃত্বে মাদক উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযানসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের নিয়মিত তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে রাজারবাগ অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি, নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুকের হাতে বিপিএম-সেবা পদক তুলে দেন।
এদিকে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজব প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, তথ্যের উৎস ও প্রেক্ষাপট যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
একই সঙ্গে, পুলিশ সুপারকে নিয়ে প্রচারিত কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে তা ছড়িয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগ বা পাল্টা বক্তব্য থাকলে তা নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে উপস্থাপন করাই দায়িত্বশীল আচরণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার বন্ধে সচেতনতা বাড়ানো এবং তথ্য যাচাই করে প্রচারের মাধ্যমে দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।




