টাঙ্গাইলের সখিপুর- সাগরদিঘী সড়কের কালিয়া বাজার সংলগ্ন (আজগরিয়া মাদ্রাসার সামনে) ঘোনারচালা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাঁশ ভর্তি ট্রাকের পিছনে পোল্ট্রি মুরগি ভর্তি দ্রুতগামী একটি পিকআপ গাড়ীর ধাক্কা ও সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার(৯জুন) ভোর ৪ টার দিকে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। দাঁড়িয়ে থাকা ওই বাঁশভর্তি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা ও সংঘর্ষে ওই মুরগিভর্তি পিকআপ গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হয়।
নিহতরা হলেন, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার আবুল হাকিমের ছেলে নূরনবী (৬৪), নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার মো. পলাশের ছেলে রফিকুল (১৮), নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মো. এরশাদের ছেলে সাগর (২২) এবং ভোলা জেলার মো. সেলিমের ছেলে সুমন (২৬)। এ ভয়াবহ সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থলে বাঁশভর্তি ট্রাকের কর্মী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লক্ষীন্দর গ্রামের আফসার আলী মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক ভোর চারটার দিকে কালিয়া বাজার সংলগ্ন ঘোনারচালা এলাকায় একটি ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ট্রাকে বাঁশ লোড করছিল। এ সময় বড়চওনার দিক থেকে আসা ঢাকাগামী একটি দ্রুতগামী মুরগি ভর্তি পিকআপ গাড়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই দাঁড়িয়ে থাকা বাঁশভর্তি ট্রাকে পিছন দিক থেকে সজোড়ে ধাক্কা দেয়। এ সংঘর্ষে ওই পিকআপ গাড়িতে থাকা চারজন ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। পরে সখিপুর থানা পুলিশ এবং সখিপুর ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহত ওই চার ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পিকআপ ও ট্রাক থানায় নিয়ে আসে।সখিপুর থানার এসআই মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, আজ ভোর চারটার দিকে উপজেলার কালিয়া ঘোনারচালা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাঁশভর্তি ট্রাকে মুরগি ভর্তি একটি পিকআপ গাড়ির ধাক্কা ও সংঘর্ষে ওই পিকআপ গাড়ীতে থাকা চারজন ব্যক্তি নিহত হয়েছে। নিহত ওই চার ব্যক্তির মরদেহ সখিপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের স্বজনরা আসলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। বাঁশ ভর্তি ওই ট্রাক এবং পিকআপ গাড়িটি সখিপুর থানায় পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।











