মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের ভূমিকা প্রশংসনীয়, তবে পিস্তল প্রদর্শনে সতর্ক হওয়া উচিত: রাশেদ খাঁন

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের ভূমিকা প্রশংসনীয়, তবে পিস্তল প্রদর্শনে আরো সতর্ক হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ওই পোস্টে লেখেন, ‘ইশরাক হোসেন একজন তরুণ উদীয়মান নেতৃত্ব। তিনি রাজপথে সংগ্রাম করে সারা দেশের নেতাকর্মীদের মন জয় করার মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর আসনে বসেছেন। একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন। তাকে আমি সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রবল উদ্দীপনা নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখেছি।

আজকে মাদকবিরোধী অভিযানে তার জোরালো অবস্থান অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে মাদকসেবীদের আক্রমণের আশঙ্কার হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করা নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছে। আশা করি, এ সমালোচনাকেও ইশরাক হোসেন সাধুবাদ জানাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে শুধরে নেবেন।’

তিনি লেখেন, ‘তবে বাস্তবতা হলো, মাদকসেবীরা জনপ্রতিনিধি, পুলিশ, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চেনে না, অনেক সময় মাদকের ঘোরে যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারে।

নিশ্চয় আপনাদের মনে আছে, মাসখানেক আগে গাজীপুরে মাদক কারবারিরা পাথর ছুড়ে পুলিশকে আক্রমণ করে আসামি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আমি মনে করি, আরো সচেতন থেকে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ইশরাক হোসেন ভাইয়ের আসনে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ অবশ্যই জনগণের কাছে প্রশংসনীয় হবে।’

বিএনপির এ নেতা লেখেন, ‘তবে আজকের সমালোচনার বিষয়টুকু নিয়ে ইশরাক হোসেন ভাই স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে মাদকসেবীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছেন এবং মাদকসেবীরা যেন পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। মাদক যেভাবে দেশে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এবং ১৬ বছর ধরে পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ভূতদের অভিযান পরিচালনায় যেভাবে দুর্বলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তখন জনগণের কাছে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধের বিকল্প খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে! তবুও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে, তিনি ভবিষ্যতে আরো সতর্ক থেকে জনদাবি আদায়ে কাজ করবেন বলে আমার ধারণা।’

 

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top