এলাকাবাসীর সূত্র জানাচ্ছে যে, অধিকাংশ মানুষই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত থাকলেও, চোরেরা কৌশলে এবং সুপরিকল্পিত ভাবে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, একটি জীবন বাসার জানালা ভেঙ্গে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরে প্রবেশ করার পর, তারা সম্ভাব্য সব মূল্যবান জিনিসপত্রের সন্ধানে ঘরের বিভিন্ন আসবাব তছনছ করে দেয়। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে বাসা থেকে ঠিক কত পরিমাণ সম্পদ হাতছাড়া হয়েছে, তা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এই গুরুতর চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে যে, দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করে জরুরি ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, সম্প্রতি ওসমান হাদী নানা ঘটনার কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। কয়েক মাস আগে ঢাকায় এক সংঘঠিত অনুষ্ঠানে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে উগ্র জনসাধারণের অংশগ্রহণে সড়ক অবরোধ হয়েছিল। এমন একটি পরিস্থিতিতে এই নেতার বাসায় চুরির ঘটনা লোকালয়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় ব্যক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে নতুন করে ভাবনা চিন্তা করতে উৎসাহিত করেছে। সাধারন জনগণ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত অপরাধীদের চিহ্নিত করা এবং গ্রেপ্তার করার সাথে সাথে এলাকার নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে গোষ্ঠী আলোচনা শুরু হয়েছে, যা সকলকে উদ্বুদ্ধ করেছে।
