মো:শরীফুল ইসলাম
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ট্রাক মালিক সমিতির নির্ধারিত ত্রিশ টাকার টোকেন দিয়ে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে আদায় করা হচ্ছে দুইশত থেকে পাঁচশত টাকা পর্যন্ত। এদের চাহিদামত চাঁদা না দিলেই আটকে দেওয়া হয় গাড়ি।
আন্তঃ জেলা শ্রমিক সংগঠনের কুতুবপুর শাখার সাধারন সম্পাদক পরিচয়ধারী আব্দুল কাদেরকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করতে দেখা যায়। তবে সখিপুর শাখার সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন,কুতুবপুরে তাদের কোন শাখা নেই। যারা আছে তারা ৩০টাকার আমাদের নিকট থেকে ৩০টাকার টোকেনের বই কিনে নিয়ে থাকে। বারতি টাকা নেওয়ার বিষয়ে কিছু জানি না। কুতুবপুর বাজার ইজারাদার হারুন অর রশীদ বলেন,কলা ছরি প্রতি ১/২টাকা ইজারা দিয়ে থাকে, বাকি সব কিছু ব্যাপারী ট্রাক অফিস জানে। ঐতিহ্যবাহী এ কলার হাটে মাসে গড়ে নয়শত থেকে এক হাজার ট্রাক কলা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়।
ট্রাকপ্রতি গড়ে তিনশত টাকা হলে মাসে তিন থেকে লক্ষ চারলক্ষ টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে।
জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির স্লিপ ব্যবহার করে স্থানীয় মালিক শ্রমিকদের একটি সিন্ডিকেট এই চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রন করে।ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
