জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই মন্তব্যটি করেছেন। সিলেটের গোলাপগঞ্জে তাদের দলীয় বহরে ও সারজিস আলমের গাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের মূল অংশ ও প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:
বক্তব্যের মূল পয়েন্টসমূহ
- সরাসরি চ্যালেঞ্জ: “আমরা গোলাপগঞ্জে যাব এখন। আমরা দাঁড়াবো, দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের। তারা কতটুকু প্রতিরোধ আমাদের করতে পারবে করবে।”
- ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: সন্ত্রাস মোকাবেলায় কেবল ১১ দল নয়, দেশের আপামর ছাত্র-জনতাসহ সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
- সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য: তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল হবিগঞ্জ থেকে শুরু করে আজকে গোলাপগঞ্জ পর্যন্ত যা ঘটছে, তাতে দেশকে আবারও সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য বানানোর চেষ্টা চলছে।
- জনগণের প্রতিরোধ: তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকার যদি সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়, তবে দেশের সাধারণ জনগণ প্রতিরোধের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
- সিলেটের গোলাপগঞ্জে কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে এনসিপির গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটে।
- এই হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা সারজিস আলমের গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয় এবং তাদের নেতাকর্মীদের ওপর আঘাত করা হয়।
- এনসিপি এবং ছাত্র নেতাদের পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলকে দায়ী করা হয়েছে।






