কানাইঘাট পৌর বিএনপির সহসভাপতি জালাল আহমদ জনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে ছুটে যান যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও নবগঠিত যুক্তরাজ্য বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য অধ্যাপক এম ফরিদ উদ্দিন।
হাসপাতালে গিয়ে তিনি জালাল আহমদ জনির চিকিৎসার খোঁজখবর নেন, তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন। এ সময় জনির চিকিৎসার জন্য নগদ ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন অধ্যাপক এম ফরিদ উদ্দিন।
অসুস্থ নেতার পাশে দাঁড়িয়ে অধ্যাপক এম ফরিদ উদ্দিন বলেন, “জালাল, তুমি নিজেকে একা মনে করবে না। কানাইঘাট বিএনপি তোমার পাশে আছে। চিকিৎসার জন্য যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন, আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী তা করার চেষ্টা করব। প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালেও নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।”
তাঁর এই আশ্বাসে অসুস্থ জালাল আহমদ জনি ও তাঁর স্বজনদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরাও তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।
অধ্যাপক এম ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে এ সময় কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রুহুল আমিন, সাবেক আহ্বায়ক, কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদল; আব্দুল মানিক, সহসভাপতি, কানাইঘাট পৌর বিএনপি; রাশিদুল হাসান, কানাইঘাট পৌর কৃষক দল; রুমান সিদ্দিক, এহসান রহমান সাবেক যুগ্ম আহ্বায়কসহ বদরুল আলম, রঞ্জন দাস, ইসহাক, মানিক, নাঈম ও বেলাল আহমদ।
ঢাকায় পৌঁছেই মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
এদিকে, গত ২৪ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছেই অধ্যাপক এম ফরিদ উদ্দিন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি অসুস্থ নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগকে মানবিক দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতে, সংকটের সময়ে একজন রাজনৈতিক সহকর্মীর পাশে দাঁড়ানোই সংগঠনের পারস্পরিক সহমর্মিতা ও দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে।




