সাম্প্রতিক
লজ্জা থাকলে শেখ হাসিনা ওই মুখ দেখাতেন না: সারজিস ‘প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন, না হলে মূল্য দিতে হবে’: যুক্তরাষ্ট্রকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি রেফারিকে মেসি বললেন, ‘আমাকে সম্মান দিয়ে কথা বলো’ টানা ভারী বর্ষণে বেনাপোল বন্দরের কোটি টাকার পণ্য তলিয়ে গেছে পানিতে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’ সরানো হলো ৬ লাখের বেশি মানুষ ওরা আমাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দিচ্ছে বেনাপোলে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ অস্ত্র উদ্ধার বন্যা মোকাবিলায় চকরিয়া-মাতামুহুরীতে ১৯ মেডিকেল টিম, কার্যক্রম পরিদর্শনে সিভিল সার্জন গরু চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনা সমর্থক, উদ্ধার ১৭ গরু রামিসা, আছিয়া ও হাদী হত্যার বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে চিঠি

বগুড়ার শেরপুরে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এসএসসি শুরু, অনুপস্থিত ৭৫ পরীক্ষার্থী

বগুড়ার শেরপুরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবারই প্রথম উপজেলার প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। তবে পরীক্ষার প্রথম দিনে উপজেলার ১০টি কেন্দ্রে মোট ৭৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর শেরপুর উপজেলায় মোট ৪ হাজার ১৪১ জন পরীক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ৩০৯ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৮৩২ জন। মঙ্গলবার প্রথম দিনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪ হাজার ৬৬ জন। অনুপস্থিত ৭৫ জনের মধ্যে ৪১ জন ছাত্র এবং ৩৪ জন ছাত্রী।
উপজেলার নির্ধারিত ১০টি পরীক্ষা কেন্দ্র হলো শেরপুর সরকারি ডি.জে মডেল হাইস্কুল, শেরপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সীমাবাড়ী সেতারা রব্বানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মজিবর রহমান মজনু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাপুনিয়া মহাবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, ছোনকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুর শহীদীয়া আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসা, উলিপুর আমেরিয়া সমতুল্যা মহিলা কামিল মাদ্রাসা, ধনকুন্ডি আয়েশা মওলা বক্স দাখিল মাদ্রাসা এবং শালফা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
 তিনি আরও বলেন, “এবারই প্রথম প্রতিটি কক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যার ফলে পরীক্ষা গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।”
এদিকে পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোর সামনে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকালে সন্তানদের পরীক্ষা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা দুশ্চিন্তা থাকলেও, পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা হাসিমুখে বের হয়ে আসায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফেরে।
অভিভাবকরা জানান, প্রশ্নপত্র ভালো হওয়া এবং কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ সুন্দর থাকায় শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই পরীক্ষা দিতে পেরেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও একইভাবে কড়া নিরাপত্তা ও ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করার সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :