১৫ দিনেই অন্ধকার! কচুয়া পৌর বাজারের নতুন ল্যাম্পপোস্ট অকেজো”

চাঁদপুরের কচুয়া পৌর বাজার, বিশ্বরোড ও হাসপাতাল সড়কে মাত্র ১৫-২০ দিন আগে লাগানো নতুন ল্যাম্পপোস্টের বাতিগুলো এখন অকেজো। লাগানোর পর মাত্র ২ দিন আলো জ্বলেও এরপর থেকে পুরো এলাকা ডুবে আছে ঘুটঘুটে অন্ধকারে।

ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী, দোকানদার ও রাতের পথচারীরা। বিদ্যুৎ থাকলে দোকানের আলোতে কোনোমতে চলাচল করা গেলেও লোডশেডিং হলে বাজার, বিশ্বরোড ও হাসপাতাল সড়ক পুরোপুরি অন্ধকারে তলিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অন্ধকারের সুযোগে এই এলাকায় ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এছাড়া পৌর এলাকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এখনো ল্যাম্পপোস্টই বসানো হয়নি। ফলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দাবি, অবিলম্বে নষ্ট হয়ে যাওয়া বাতিগুলো মেরামত এবং যেসব স্থানে বাতি নেই সেখানে নতুন বাতি স্থাপন করতে হবে।

তাদের ভাষ্য, “কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, দয়া করে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নিন। এই অন্ধকার একদিন বড় দুর্ঘটনার কারণ হবে। কচুয়ার আলো ফেরান, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।”

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

খুলনায় স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা: জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

অদ্য ২৬/০৮/২০২৬ রোজ বধবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে খুলনা বিভাগে এইচপিভি টিকা এবং ইপিআই কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভাগীয় কর্মশালা, যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করার নির্দ.. খুলনা হোটেল সিটি ইনে আয়োজিত দিনব্যাপী এই পর্যালোচনা কর্মশালায় খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় প্রধানত জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের জন্য নির্ধারিত এইচপিভি টিকার সফল বাস্তবায়ন এবং ইপিআই কর্মসূচির পরিধি বিস্তারের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এই টিকার আওতায় নিয়ে আসার যে জাতীয় চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা কীভাবে খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় শতভাগ সফল করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী দশ জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ এলাকার কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন, যা মূলত স্বাস্থ্যসেবার তৃণমূল পর্যায়ের সক্ষমতা ও বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং ভুক্তভোগী ও লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর সচেতনতার অভাবকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা জানিয়েছেন যে, এইচপিভি টিকা নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার ও তথ্যের ঘাটতি দূর করা না গেলে শতভাগ কাভারেজ অর্জন করা কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিভাগের একক প্রচেষ্টায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল হওয়া সম্ভব নয়। তিনি মিডিয়ার ভূমিকা এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইমামদের মাধ্যমে মসজিদের মুসল্লিদের অবহিত করলে টিকার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার অভাব বা গাফিলতি জনস্বাস্থ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাই প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে আরও বেশি জবাবদিহিতার আওতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।