সাম্প্রতিক
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবি, বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ আগামী নির্বাচনেই অংশ নিতে পারে আ.লীগ: তৌহিদ হোসেন ঝিনাইদহের ঘটনা নিয়ে হাসনাতের নতুন পোস্ট ঝিনাইদহে পাটওয়ারীর সাথে যা ঘটেছে তা শোভনীয় নয়: আইনমন্ত্রী নাচোল,বেনিপুর মোড়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ফারহাদ হোসেন রাজের উপর সন্ত্রাসী হামলা ভালোবাসার গান গেয়ে আবারও আলোচনায় মাদানী রাষ্ট্র পরিচালনায় এত স্কুল-কলেজের প্রয়োজন নেই : ব্যারিস্টার ফুয়াদ দেশে ২ কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবারও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন গালিবাফ

আন্তর্জাতিক চা দিবস আজ

বৃহস্পতিবার,২৮শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ ২১ মে, বিশ্ব চা দিবস। সকালে ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে অফিসের ক্লান্তি দূর করা কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে আড্ডা—বাঙালির প্রাত্যহিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এক কাপ চা। কবীর সুমনের সেই বিখ্যাত গানের কলি, ‘এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই’—যেন প্রতিদিনের এই চায়ের আড্ডাকেই মনে করিয়ে দেয়।

বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটিরও বেশি কাপ চা পান করা হয়। আর এই চা উৎপাদনের নেপথ্যে রয়েছে লাখ লাখ চা-শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রম। ন্যাশনাল টুডের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি সেকেন্ডে মানুষ ২৫ হাজার কাপ চা পান করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন দুই বিলিয়ন কাপেরও বেশি চা পান করা হয়।

২০০৫ সালে চা উৎপাদনকারী দেশগুলো এক হয়ে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালন করে। এই দেশগুলো হলো- শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, মালয়েশিয়া ও উগান্ডা। পরে ২০১৯ সালে ২১ মে বিশ্ব চা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০১৯ সালের ২১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ চা দিবসকে হ্যাঁ বলে। ২০২০ সালের ২১ মে জাতিসংঘ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব চা দিবস পালন করে।

ধারণা করা হয়, বিশ্বের জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চা পানকারীদের সংখ্যাও বাড়বে। ভারত ও চীনে চায়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। চা পানে এই দুটি দেশ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩৭ শতাংশ অবদান রাখে।

বছরের পর বছর ধরে চা নিয়ে নানান গবেষণা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে গরম পানির সঙ্গে গুল্ম ও পাতা মিশিয়ে পান করা হয়েছে। কিন্তু চায়ের সবচেয়ে আধুনিক সংস্করণ গরম পানির সঙ্গে কয়েক টুকরো চা পাতার মিশিয়ে পান করা। এই পাতা ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। এশিয়ায় গরম চা পান শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে। আর ষোড়শ শতাব্দীর আগে ইউরোপে চা প্রবেশ করতে পারেনি।

১৬০০-এর দশকে ইংল্যান্ডের মানুষ এই সুস্বাদু পানীয়টির প্রেমে পড়তে শুরু করেন এবং এটি আধুনিক শ্রেণির জনপ্রিয় পানীয় হয়ে উঠতে শুরু করে। ব্রিটিশ ভারতে চায়ের উৎপাদন প্রবর্তিত হয়। শুধু তাই নয় তখন বিশ্বব্যাপী এটি একটি শিল্প হয়ে ওঠে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :