প্রতিদিন ৩০ টাকা, আবার লাখে ১০০০ টাকা ভর্তি ফি
কমিটি বাতিল ও স্বপন ভাইয়ের হস্তক্ষেপ কামনা ড্রাইভারদের*
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাশিমপুর-গুলবাহার রোডে জিবি ও গাড়ি ভর্তির নামে ব্যাপক চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সিএনজি ও অটোরিকশা চালকরা। বর্তমান নতুন কমিটি ও কিছু নেতার সিদ্ধান্তেই এই চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
ভুক্তভোগী ড্রাইভাররা জানান, প্রতিদিন গাড়ি প্রতি ৩০ টাকা জিবি আদায়ের পরও নতুন করে “গাড়ি ভর্তি” ও “ড্রাইভার ভর্তি” করানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
ড্রাইভারদের ভাষ্যমতে, গাড়ি ভর্তির জন্য প্রতি লাখ টাকায় ১০০০ টাকা এবং ড্রাইভার ভর্তির জন্য ১৫০০থেকে ২০০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ড্রাইভার বলেন, “আমরা গরীব, অসহায়। আমাদের উপর এত অত্যাচার-জুলুম কেন? একদিকে গ্যাসের সমস্যা, অন্যদিকে চাঁদাবাজের খপ্পর। আমরা বাঁচবো কিভাবে?”
ড্রাইভাররা আরও অভিযোগ করেন, নতুন কমিটি গঠনের সময় কচুয়া উপজেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি ‘জনাব খাইরুল আবেদীন স্বপন’ স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছিলেন কোনো গাড়ি বা ড্রাইভারের কাছ থেকে এক টাকাও চাঁদাবাজি করা যাবে না। কিন্তু তার সেই নির্দেশ অমান্য করেই এখন চাঁদাবাজি চলছে।
এই অবস্থায় ভুক্তভোগী ড্রাইভাররা অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল এবং চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে তারা প্রশাসন ও খাইরুল আবেদীন স্বপন ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “এই চাঁদাবাজি থেকে আমাদের মুক্তি দিন।”




