রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভায় সড়ক সংস্কার ও ড্রেন নির্মাণকাজে অনিয়ম ও লুটপাটের সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের তদন্ত দল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা সরেজমিন পরিদর্শনে প্রকাশিত অনিয়মের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাননি বলে পরিদর্শন প্রতিবেদনে জানিয়েছেন।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে গোদাগাড়ীতে ১০ কোটি টাকায় সড়ক সংস্কার: ঠিকাদার-প্রকৌশলী মিলে লুটপাট” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরই প্রকল্পের উপ-দলনেতার (ডিটিএল) পরামর্শে বিশেষ এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) আরইউটিডিপি প্রকল্পের (RUTDP) আওতায় ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান ৪ হাজার ৯৮০ মিটার সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা।
তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসএমই, আরইউটিডিপি, বগুড়া ক্লাস্টার) খাইরুল বাশার সরেজমিনে বিভিন্ন স্থান পর্যবেক্ষণ শেষে লিখিত প্রতিবেদনে জানান।
এলিজা এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্তাধিকারী আসাদুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা যায়,আমাদের প্রতিষ্ঠান দির্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত কাজ করে আসছে, একটি স্বার্থনেসী মহল প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেছে,আসাদুল ইসলাম জানান ইতিমধ্যে বগুড়ার একটি তদন্ত পতিনিধি দল পরিদর্শনে এসেছে,যারা প্রতিবেদনে জানিয়েছে ঠিকাদার ও অফিসের প্রকৌশলী মিলে লুটপাট এর ঘটনাটি সত্য নয়।এমনকি কাজের মান নিয়ে তারা সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছে।
বেশ কয়েকটি পয়েন্টে সাব-বেসের খোয়া ও বালুর অনুপাত পরীক্ষা করে তা সঠিক ও সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন তারা।ইট ও ঢালাইয়ের মান: রিটেইনিং ওয়ালে ব্যবহৃত ইট গুণগত মানসম্পন্ন (১ম শ্রেণী) এবং ড্রেন ঢালাইয়ের কাজ সিডিউল অনুযায়ী সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।











