সাম্প্রতিক
কাউন্সিলর একরামুল হ**ত্যা, সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ তরুণ সমাজ থেকে বিতাড়িত হয়ে সমকামীদের কাছে টানার বার্তা আরএসএস প্রধানের! চুয়াডাঙ্গায় খাল খনন শেষে প্রায় ২০ লাখ টাকা কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও বলাৎকারের চেষ্টার পর ভয় দেখিয়ে শিশুর হাতে দেন পাঁচ টাকা জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা পুরস্কৃত, আগস্ট পর্যন্ত বাড়লো মেয়াদ সুন্দর দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানির দাম বাড়লেই যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে আসে: বাঘাই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ১০ আগস্ট হাসিনার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি: মাহমুদা মিতু

চিলমারীতে বিদ্যালয়ের বর্ধিত ও নির্মাধীন ভবনের কাজে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলাধীন বালাবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদ্যমান একাডেমিক ভবনের (প্রথম ও দ্বিতীয় তলা) উল্লম্ব সম্প্রসারণ নির্মাণ। স্যানিটারি, জল সরবরাহ এবং বিদ্যুতায়ন কাজ চলছে।
বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক মন্ডলী, এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের মতে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তদারকির অভাবে এবং তড়িঘড়ি করে কাজ সম্পন্ন করছে, যা ভবনের দীর্ঘস্থায়িত্বের ওপর ঝুঁকি তৈরি করছে। 
প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য নির্মাণস্থলে টাঙানো প্রকল্প: 
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান – মেসার্স ভাই ভাই কনস্ট্রাকশন, থানাহাট বাজার, চিলমারী , কুড়িগ্রাম।
এটি বাংলাদেশ সরকারের “মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে কোড নং – ১২৫০৩০১-১২৫০১১০৯৯৭২-৪১১১২০১-( পূর্বতন-৭০১৬) আবাসিক ভবন নির্মাণ/সম্প্রসারণ ” শীর্ষক কর্মসূচি । 
কাজের নাম- কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলাধীন বালাবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদ্যমান একাডেমিক ভবনের (প্রথম ও দ্বিতীয় তলা) উল্লম্ব সম্প্রসারণ নির্মাণ। স্যানিটারি, জল সরবরাহ এবং বিদ্যুতায়ন কাজ চলছে। 
টেন্ডার আইডি – ১১৪৬৮৪৯
কার্যাদেশের তারিখ : ২৮/১০/২০২৫ খ্রী:
প্রাক্কালিত মূল্য – ১,২২,২৪০০০/-
চুক্তি মূল্য – ১,১৬,১২,৮০০/-
কাজের সময় – ১২ মাস।
বাস্তবায়ন সহযোগী : শিক্ষা প্রোকৌশলী অধিদপ্তর , কুড়িগ্রাম। 
ল্যাব টেস্ট ছাড়াই অনিয়মেই চলছে কোটি টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয় নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ,সেকেন্ড ক্লাস ইটের গাঁথুনি ও ঢালাইয়ে নিম্নমানের বালি, ইট, ওয়েট লেস ঝামাযুক্ত ইটের খোয়া ও সিমেন্ট ব্যবহারের অভিযোগ। তাছাড়া সটীল শাটারের পরিবর্তে বাঁশ ও কাঠের শাটারের ব্যবহার, ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ না করা, কিউরিং এর ব্যাপক ঘাটতি। ফলে হানিকম দেখা যায়। ইট ও খোয়া পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি দিয়ে না ভিজানো। ১ম ছাদ ঢালাই পর সিলিন্ডার তৈরি করে পরীক্ষা না করা, সিঁড়ির উপর নতুন কলাম ও বীমা তৈরি না করেই পুরাতন ও ভঙ্গুর মেরামত করে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চালিয়ে যাওয়া।”
এসবের উপকরণের গুনগত মান সঠিকতায় দেখাতে পারেনি ল্যাব টেস্ট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্টিফাইড কপি। নির্মাণের কাজে মালামালের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠাই স্বাভাবিক। দায়িত্বহীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে।
তদারকির অভাব: সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও শিক্ষা অধিদপ্তরের তদারকি না থাকায় অনিয়ম বাড়ছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কাজ: ফাটল ও জোড়াতালি দিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়া।
সময় ও মানের ঘাটতি: কাজ দ্রুত শেষ করার নামে কাজের গুণগত মান বজায় রাখা হচ্ছে না।
যা ভবনের গুণগত মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ওয়ার্ক অর্ডার এ দেখা যায় – 
 ফাষ্ট ক্লাস ইট & ইটের খোয়া, সিলেট বালু (FM ১:২) , কোয়ালিটি রড, কোয়ালিটি সিমেন্ট (CEM-I/OPC). স্টিল শাটার।
বিকল্প প্যানেলে কংক্রিট স্থাপন, পরিষ্কার সিমেন্ট দিয়ে উপরের অংশ কম্প্যাক্ট করা এবং শেষ করা এবং জল, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য খরচ সহ সমস্ত তলায় কমপক্ষে ৭ দিন কিউরিং করা। 
১০ মিমি পুরুত্ব সম্পন্ন এবং ১২.৫ মিমি লেইং পুরুত্ব সম্পন্ন কাস্ট ইন সিটু মোজাইক কাজ, ১০ মিমি মেশিনের এক অংশ গুঁড়ো করে ভালোভাবে গ্রেড করা ধুলোমুক্ত এবং সঠিকভাবে ধোয়া মার্বেল চিপস এবং সাদা সিমেন্ট/ধূসর সিমেন্টযুক্ত মিশ্রণের এক অংশ সহ মেঝেতে মিশ্রণ প্রস্তুত করা এবং পুরু চিপস সহ কমপক্ষে ২৫ মিমি পুরুত্বের কৃত্রিম পেটেন্ট পাথরের মেঝেতে একই স্থাপন করা। ১.২.৪ উপযুক্ত প্যানেল তৈরি সহ। কম্প্যাক্টিং, কমপক্ষে ৭ দিন কিউরিং।
 পিউমিস কাটিং মেশিন দিয়ে কিউরিং এবং মিনার পাথর দিয়ে ফিনিশিং এবং ইটের চিপ ভাঙা সহ অক্সালিক অ্যাসিড ছড়িয়ে দেওয়া। স্ক্রিনিং, ওয়াশিং, মোজাইক চিপস এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য পরিবর্তনগুলি সর্বোপরি ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা গৃহীত। সিমেন্ট CEM-l/OPC ১০০% সাদা সিমেন্ট। ১ম তলা
ঢালাই কাজ ওয়ার্ক অর্ডার দেখা যায় –
চাঙ্গা সিমেন্ট কংক্রিট ব্যবহার করে কাজ করা
ন্যূনতম সিমেন্ট সামগ্রী সহ স্টিলের শাটারটি মিক্স রেশিও 1:1.5.3 এর সাথে সম্পর্কিত যার ন্যূনতম f’cr = 26 MPa এবং BDS EN-197-1-CEM1, 52.5N (52.5MPa)/ASTM-C 150 টাইপ 1 এর মানসম্মত ACI/BNBC/ASTM এবং সিমেন্টের স্ট্যান্ডার্ড অনুশীলন অনুসারে স্ট্যান্ডার্ড সিলিন্ডারে 28 দিনে একটি নির্দিষ্ট সংকোচন শক্তি f’c=21 MPa পূরণ করে। সেরা মানের সিলেট বালির অরোপারস বালি [FM 2.2) এবং 20 মিমি ডাউন ভাল গ্রেডেড থামা ইটের চিপ ASTM C-33 এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মধ্যে রয়েছে চিপ ভাঙা এবং স্ক্রিনিং, তৈরি করা। শাটারটি অবস্থানে স্থাপন করা এবং প্লাম্বের সাথে খাপ খাইয়ে রাখা, শাটারটিকে সঠিকভাবে জল-আঁটসাঁট করা, অবস্থানে শক্তিবৃদ্ধি স্থাপন করা; স্ট্যান্ডার্ড মিক্সার মেশিনে হোপারের সাথে মেশানো এবং স্ট্যান্ডার্ড পরিমাপ বাক্স দ্বারা খাওয়ানো, ফর্মে ঢালাই করা, ভাইব্রেটর মেশিন দ্বারা কম্প্যাক্ট করা এবং কমপক্ষে 28 দিনের জন্য কিউরিং করা, সেন্টারিং-শাটারিং অপসারণ করা, নির্দিষ্ট সময় পরিবর্তন করা, অনুমোদিত, জল, বিদ্যুৎ খরচ, ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং সিলিন্ডারের অতিরিক্ত পরীক্ষার চার্জ সহ। অন্যান্য চার্জ ইত্যাদি। সমস্ত সম্পূর্ণ অনুমোদিত এবং ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা গৃহীত। ক) প্যাডেল কলাম, কলাম ক্যাপিটাল ক) প্রথম তলা, i) কংক্রিট।
 প্রথম ছাদ ঢালাই সময় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপকরণের নমুনা সংগ্রহ করেছিল পরীক্ষা করার জন্য কিন্তু পরীক্ষা না করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বালাবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১,১৬,১২,৮০০ টাকার ৩ তলা বর্ধিত ভবন নির্মাণে নিম্নমানের মালামাল, ছাদ ঢালাই, নকশা ভঙ্গ, তদারকির ঘাটতি, দায়িত্বহীন ঠিকাদারিসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে।
 বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বাধীন কুমার রায় বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্ন মানের সামগ্রীর ব্যবহারে অভিযোগ করেও প্রতিকার পাওয়া যায় নাই। ঢালাইয়ের কাজ রাতের আঁধারে করে থাকেন। এতেই বোঝা যায় তাদের উদ্দেশ্য সৎ নয়। ঢালাইয়ের আগ মূহুর্তে জানান হয়, তখন এসে মালামালের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললেও কাজ হয় না।
বিদ্যালয়টির অন্য শিক্ষকরাও ভবনটি নির্মাণে গুণগত মান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তদারকির অভাব পরিদর্শন খাতাই ছিল না! বড় প্রকল্প, কোটি টাকার উন্নয়ন কিন্তু নেই পরিদর্শন খাতা, নেই নিয়মিত প্রকৌশলীর উপস্থিতি, নেই তদারকি কমিটির উপস্থিতি। ৭ দিন পরে পরিদর্শন আসে ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাইড অর্ডার বুকে দেখা যায় সাব এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার ভিজিটে বুকে ৮.০২.২০২৬ ইং তারিখে এসেছিলেন রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আর আসেনি। লোকাল মিস্ত্রী দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। দেখা মেলেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাউকে বা ইন্জিনিয়ারকে।
 শিক্ষকদের অভিযোগ, লোকাল রাজমিস্ত্রি দিয়ে দায়িত্বহীন কাজ হয়েছে। ইঞ্জিনিয়াররা আসেনি বললেই চলে। এমন তদারকির ভাঙন সরকারি প্রকল্পে গুরুতর প্রশাসনিক ব্যর্থতা নির্দেশ করছে। 
তাছাড়া পুরাতন সিঁড়িতে সব ভাঙ্গা কলাম ও বীম নতুন ভাবে না করে, ভাঙ্গাচুড়া মেরামত করে তার উপর নতুন সিঁড়ি ও বীম সংযোজন করে ঢ়ালাই এর কাজ করা হয়েছে। এতে ভবনটির স্থায়ীত্ব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার না করে পুরাতন রড কাজে লাগানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব রড রাতের আঁধারে কেমিক্যাল দিয়ে পরিষ্কার করে পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছে। শুরু থেকেই এভাবে কাজ চলমান রয়েছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।
এসব নিয়ম না মেনেই স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় দের কথায় তোয়াক্কা না করে, ইন্জিনিয়াকে কনভেন্স করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।  
তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজের মান পরীক্ষা করা জরুরি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকাল মিস্ত্রী রাজু জানান, ওয়ার্ক অর্ডারে অনেক কিছুই লেখা থাকে, সব কিছু মানা যায় না। আগের কলাম ও বীম থাকলে ওগুলো মেরামত করে যয়েন্ট দেয়া হয়। সবাই এভাবেই করে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের রাশেদুল একটু কাজ কম বুঝে, আমাকেই সব কাজ করতে হয়। কিউরিং এর ব্যাপারে নাইট গার্ডকে বলা হলেও যথাযথভাবে করেনি। নির্মাণ উপকরণের মান সঠিকতায় আমাদের কাছে ল্যাব টেস্ট বা কর্তৃপক্ষের কোন সার্টিফাইড কপি নাই।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের রহস্যজনক নীরবতা, মেসার্স ভাই ভাই কনস্ট্রাকশন সঙ্গে যোগাযোগের সব চেষ্টা ব্যর্থ। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজের মিল নেই। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের রাশেদ বলেন, লোকাল মিস্ত্রীকে ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ করতে বলা হয়েছে। তিনি ইন্জিনিয়ারকে ম্যানেজ করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কুড়িগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আদম সরকার সাইডে খুব কম আসেন, ফোনে ফোনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সাইড অর্ডার বুকে দেখা যায় ৮.২.২০২৬ ইং তারিখে সাব- এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ারের সহি , এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্কুলে আসে নাই। আঅভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তবে কাজের মান নিয়ে অভিযোগগুলোও সরাসরি খণ্ডন করেননি। 
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা জানান, চিলমারী বালাবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিষয়টি আমরা অবগত। নির্মাণ সামগ্রীর কোয়ালিটি টেষ্ট সার্টিফিকেট অফিসে আছে কিনা দেখি। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা দেখা হচ্ছে। কাজের ফাঁকি দেয়ার সুযোগ নেই।
স্থানীয়দের দাবি, স্বাধীন তদন্ত কমিটি, কাজের মান পরীক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞ টিম, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনা, দায়ী প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণ, প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। 

Tags:

সম্পর্কিত খবর :