সাম্প্রতিক
ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’ সরানো হলো ৬ লাখের বেশি মানুষ ওরা আমাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দিচ্ছে বেনাপোলে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ অস্ত্র উদ্ধার বন্যা মোকাবিলায় চকরিয়া-মাতামুহুরীতে ১৯ মেডিকেল টিম, কার্যক্রম পরিদর্শনে সিভিল সার্জন গরু চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনা সমর্থক, উদ্ধার ১৭ গরু রামিসা, আছিয়া ও হাদী হত্যার বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে চিঠি পানির স্রোতে কবরস্থানে ভেসে উঠল ৩ লাশ স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ : রাশেদ খান শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ দেশে ২৫ হাজার ধাত্রী নিয়োগ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনবান্ধব আদর্শে তারুণ্যের হৃদয়ে সম্পাদক এইচ এম ওবায়দুল হক

মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া কিছু মানুষের পরিচয় কেবল পদবি বা দায়িত্বের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। সময়ের পরিক্রমায় তারা পরিচিত হন তাদের জনবান্ধব আদর্শে, মানবিকতায়, উদারতায় এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসায়।বাংলাদেশের সাংবাদিকতা এবং সামাজিক অঙ্গনে এমনই একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব জনাব এইচ এম ওবায়দুল হক। সাংবাদিকতা, সংগঠন পরিচালনা এবং তরুণদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে তার নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা তাকে সহকর্মীদের কাছে একজন নির্ভরযোগ্য অভিভাবকসুলভ নেতা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।
কুমিল্লা জেলার কৃতী সন্তান এইচ এম ওবায়দুল হক দেশের জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম “মর্নিং পোস্ট” এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন নিরলসভাবে। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা, সময়ানুবর্তিতা এবং পেশাগত শৃঙ্খলার প্রতি তার গুরুত্ব প্রশংসিত সর্বমহলে। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ছাত্র কল্যাণ পরিষদ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং ওবায়েদ কমিউনিকেশন কমিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে।
ওবায়দুল হকের নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সাধারণের প্রতি সম্মান এবং সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা। কর্মজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও প্রকাশ পেয়েছে মানুষের প্রতি তার নিঃস্বার্থ দায়বদ্ধতা। সহকর্মী, প্রতিনিধি কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আচরণে নেই কোনো কৃত্রিমতা বা দূরত্ব। যে কেউ প্রয়োজনে তার কাছে পৌঁছালে তিনি ধৈর্যের সঙ্গে কথা শোনেন এবং নিজের সামর্থ্যের মধ্যে সমাধানের পথ খুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আর এই সহজ-সরল ব্যক্তিত্বই তাকে সকলের কাছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
মর্নিং পোস্ট পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদক রবিউল ইসলাম বাপ্পী বলেন, “এইচ এম ওবায়দুল হক এমন একজন মানুষ, যিনি পদে একজন সম্পাদক হলেও আমাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন একজন বড় ভাই হিসেবে। তিনি কখনো ‘বস’ সম্বোধনটি পছন্দ করেন না; বরং ‘ভাইয়া’ ডাকেই সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ কারণেই তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনো শুধুমাত্র কর্মকর্তা ও কর্মীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা পরিণত হয়েছে একটি পরিবারের আন্তরিক বন্ধনে।
নাইট শিফটে কাজ করা একজন সংবাদকর্মীই জানেন, গভীর রাতের দায়িত্ব কতটা কঠিন। যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, তখনও সংবাদকক্ষ জেগে থাকে মানুষের কাছে সত্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে। সেই দীর্ঘ ও নিরবচ্ছিন্ন কর্মঘণ্টায় আমাদের সাহস, অনুপ্রেরণা এবং মানসিক শক্তির প্রধান উৎস এইচ এম ওবায়দুল হক ভাইয়া।
বয়সের ক্ষেত্রে তার চিন্তাভাবনা, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং মানবিক আচরণ সত্যিই অনন্য। তার সহজ-সরল ব্যক্তিত্ব, হাসিমুখে কথা বলা, সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার অভ্যাস তাকে আমাদের কাছে শুধু একজন সম্পাদক নয়, বরং মর্নিং পোস্ট পরিবারের একজন আপন মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আমরা বিশ্বাস করি, তার নেতৃত্বে মর্নিং পোস্ট আরও এগিয়ে যাবে, আরও সমৃদ্ধ হবে। আমাদের প্রত্যাশা, তিনি সবসময় এভাবেই মানুষের ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে চলবেন এবং আমাদের মতো অসংখ্য তরুণ সংবাদকর্মীর অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।”
বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের মতে, এইচ এম ওবায়দুল হক এমন একজন সম্পাদক, যিনি নেতৃত্বকে কখনো ক্ষমতার আসন হিসেবে দেখেন না; বরং দায়িত্ব, আস্থা ও ভালোবাসার এক অদৃশ্য বন্ধনে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেন। নতুন কিংবা অভিজ্ঞ – প্রত্যেক প্রতিনিধির মতামতকে তিনি সমান দৃষ্টিতে দেখেন। ভুল হলে সংশোধনের সুযোগ দেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া থেকে শুরু করে প্রতিনিয়ত উৎসাহ দিয়ে আগামীর পথ চলতে অনুপ্রাণিত করেন। তাই তার নেতৃত্বে “মর্নিং পোস্ট” কেবল একটি সংবাদমাধ্যম নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও আত্মবিশ্বাসে গড়া এক সুদৃঢ় পরিবার।
সহকর্মীদের ভাষ্য, একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় নির্ধারিত হয় তার ব্যবহার, মূল্যবোধ এবং মানুষের জন্য রেখে যাওয়া ইতিবাচক প্রভাবের মাধ্যমে। সেই জায়গা থেকেই এইচ এম ওবায়দুল হক আজ অনেকের কাছে একজন সফল সম্পাদক হওয়ার পাশাপাশি একজন মানবিক মানুষ, দায়িত্বশীল সংগঠক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক। তার বিনয়, সহজ-সরল জীবনবোধ, কর্মনিষ্ঠা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা তাকে প্রতিনিয়ত আরও বেশি মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার পদবি, পদমর্যাদা কিংবা ক্ষমতায় নয়; বরং মানুষের হৃদয়ে রেখে যাওয়া ভালোবাসা, আস্থা ও শ্রদ্ধায়। সেই জায়গাতেই এইচ এম ওবায়দুল হক আজ একজন সম্পাদককে ছাড়িয়ে অনেকের কাছে একজন মানবিক অভিভাবক, একজন বড় ভাই, একজন নির্ভরতার নাম এবং আশার আলো। জনবান্ধব আদর্শ, সততা, বিনয়, দায়িত্ববোধ ও মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসাকে ধারণ করে তিনি যেভাবে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন, তা তাকে এনে দিয়েছে এক স্বতন্ত্র মর্যাদা। সহকর্মী, প্রতিনিধি ও শুভানুধ্যায়ীদের বিশ্বাস – মানুষের ভালোবাসাকেই শক্তি করে তিনি ভবিষ্যতেও সাংবাদিকতা ও সামাজিক নেতৃত্বের অঙ্গনে নিজের গতিতে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবেন। মানবিকতা, প্রজ্ঞা ও কর্মনিষ্ঠায় আলোকিত তার এই পথচলা বর্তমানের ন্যায় আগামী প্রজন্মের জন্যও নির্ভরযোগ্য অনুপ্রেরণা, আস্থা ও আদর্শের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে চিরস্থায়ী থাকবে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :