জাইদা ও সার্জের উদ্যোগে কক্সবাজারে শান্তি ও সামাজিক সংহতিতে কনসাল্টেশন অনুষ্ঠিত

নিবার, ১০ অক্টোবর, সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় এই পরামর্শ সভা।

জাইদা বাংলাদেশ ও সার্জ বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে, একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং শেডের কারিগরি সহায়তায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহ-অর্থায়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

‘ইয়ুথ-লেড পিসবিল্ডিং অ্যান্ড সোশ্যাল কোহেশন ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড মিয়ানমার’ প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজন করা হয়। পরামর্শ সভায় কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যকার সম্পর্ক, সংবাদ পরিবেশনের চ্যালেঞ্জ এবং মাঠপর্যায়ের মানবিক গল্প তুলে ধরার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে তথ্যবিভ্রান্তি প্রতিরোধ, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই এবং সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্ব পরিচালনা ও স্বাগত বক্তব্য দেন সার্জ বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোজাহিদুল ইসলাম। তিনি তথ্যবিভ্রান্তি প্রতিরোধ, সংঘাত হ্রাস এবং ইতিবাচক সামাজিক সংহতি তৈরিতে তরুণ ও গণমাধ্যমের যৌথ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। আলোচনা পর্বের সঞ্চালনা করেন দ্য ইকোনমিস্টের বাংলাদেশ করেসপন্ডেন্ট তানভিরুল মিরাজ রিপন। ডিজিটাল পোলিং, দলীয় আলোচনা এবং অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কক্সবাজারের গণমাধ্যমে ব্যবহৃত ভাষা, সংবাদ পরিবেশনের চ্যালেঞ্জ এবং মানবিক গল্প তুলে ধরার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একশনএইড বাংলাদেশের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফারিহা হোসাইন। তিনি বলেন, টেকসই শান্তিনির্মাণ ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম অন্যতম প্রধান অংশীদার। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা তথ্যবিভ্রান্তি দূর করতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। জাইদা বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক শাহরুখ করিম বলেন, শান্তি ও সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম একটি শক্তিশালী মাধ্যম। সাংবাদিকদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শের ভিত্তিতে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে, সঞ্চালক তানভিরুল মিরাজ রিপন সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে সতর্ক ভাষার ব্যবহার, একাধিক সূত্র থেকে তথ্য যাচাই এবং মানবিক সহাবস্থানের ইতিবাচক গল্প তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। পরামর্শ সভায় স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সম্পাদকরা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও বাংলাদেশ বেতারের প্রতিনিধিরা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সামাজিক সংহতি জোরদারে কার্যকর ভূমিকা রাখবেসাইফুল ইসলাম

 

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top