সাম্প্রতিক
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক বিশ্বকাপ জিতেও মেসির জন্য কাঁদল কুবারসির মন ভারতের ককরোচ পার্টির সংসদ অভিমুখী মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি ১৭০০ কোটি ডলার মশা নিধনে দেশীয় উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দিতে আহবান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর হারের পরেও বীরের সম্মান, আর্জেন্টিনায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা অনিরাপদ পথ ব্যবহারের সময় হরমুজে ২টি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে বাংলাদেশের চিঠি

মতলব দক্ষিণে সরকারি গুদামে বোরো ধান সংগ্রহ সম্পন্ন, ভালো দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকার নির্ধারিত বাজারমূল্যের চেয়ে ভালো দাম পাওয়ায় এবং কোনো ধরনের দালালের হয়রানি ছাড়াই ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।
উপজেলা খাদ্য গুদামের উদ্যোগে শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত নিবন্ধিত কৃষি কার্ডধারী প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি বোরো ধান সংগ্রহ করা হয়। এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম ইশমাম। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চৈতন্য পাল, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা খালেদা আক্তার এবং খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকরামুল ইসলাম খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সরকার প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা, অর্থাৎ প্রতি মণ ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করে। একজন কৃষক সর্বনিম্ন ১২০ কেজি থেকে সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন পর্যন্ত ধান সরকারি গুদামে সরবরাহ করতে পারেন। ধান বিক্রির অর্থ কৃষকদের নিজ নিজ সোনালী ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী মোট মূল্যের ০.৫ শতাংশ উৎস কর হিসেবে প্রতি মেট্রিক টনে ১৮০ টাকা চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিতে হয়েছে।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, মতলব দক্ষিণ এলএসডির জন্য মোট ৩০০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিস ২২৮ জন নিবন্ধিত কৃষকের তালিকা প্রেরণ করে। “আগে আসলে আগে পাবেন” ভিত্তিতে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত ১০৫ জন কৃষকের কাছ থেকে ৩০০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ সম্পন্ন হয়।
খাদেরগাঁও ইউনিয়নের নিবন্ধিত কৃষক মো. মোস্তফা কামাল জানান, তিনি সরকার নির্ধারিত দরে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা হিসেবে ৩ মেট্রিক টন ধান বিক্রি করেছেন। বিক্রির অর্থ সরাসরি তার সোনালী ব্যাংক হিসাবেই জমা হয়েছে। শুধু বিধি অনুযায়ী উৎস করের টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হয়েছে।
দক্ষিণ বাইশপুর গ্রামের কৃষক রেহান সরকার, চরমুকুন্দী গ্রামের জয়নাল বকাউল এবং মুনছবদী গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “বিগত সরকার আমলে আমরা এভাবে সরাসরি ধান বিক্রি করতে পারিনি। এবার ভালো দাম পেয়েছি, কোনো দালালের শরণাপন্ন হতে হয়নি। কৃষি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়ে সরকারি গুদামে সহজেই ধান বিক্রি করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত।”
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর লক্ষ্যেই সরকারের এ ধান সংগ্রহ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :