সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের সামনে নবাগত কেপ ভার্দে। স্বাভাবিকভাবেই পরিষ্কার ফেভারিট ছিল স্পেন। অনেকেই হিসেব কষতে শুরু করেছিলেন, কেপ ভার্দের জালে ঠিক কতটি গোল দেবে ২০১০ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা?
ম্যাচের আগের এসব কাগুজে আলাপ মাঠে একদমই টিকতে দেয়নি কেপ ভার্দে। দুর্দান্ত রক্ষণের ছাপ রেখে স্পেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে বিশ্বকাপের নবাগত দেশটি। আর স্পেনের অন্তত ৭টি শট ঠেকিয়ে ম্যাচের নায়ক কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহা।
স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে নিজ দেশকে বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট এনে দিয়ে ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েন ভোজিনহা। কারণ ইচ্ছা থাকার পরও ভিসা জটিলতায় মাঠে বসে তার বীরত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স দেখতে পারেননি তার মা।
ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে দ্য অ্যাথলেটিকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এই কথা জানান ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার।
“আমি ম্যাচের পর কেঁদেছি। কারণ আমি ছোটবেলায় দাদু-দাদির সঙ্গে বড় হয়েছি, তারা এখন আর বেঁচে নেই, তাই তারা আসতে পারেননি। আমার মা-ও ভিসা সমস্যার কারণে এখানে আসতে পারেননি। ভিসার খরচ ও আনুষঙ্গিক জটিলতার কারণে আমরা সময়মতো সবকিছু করতে পারিনি।”
৪০ বছর ১২ দিন বয়সে ম্যাচটি খেলতে নেমে বিশ্বকাপে কোনো দেশের প্রথম ম্যাচ খেলা সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হয়ে গেছেন ভোজিনহা। আগের দিন কুরাসাওয়ের এলয় রুম (৩৭ বছর ১৮২ দিন) গড়েছিলেন এই রেকর্ড।
বিশ্বকাপে নিজের ও দেশের প্রথম ম্যাচটি রাঙিয়ে আনন্দের সীমা নেই ভোজিনহা। দেশবাসীকেও তিনি ধন্যবাদ জানান পূর্ণ সমর্থনের জন্য।
“কেপ ভার্দের প্রতিটি মানুষের জন্য এই বার্তা, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা আজকে খুবই খুশি। এই মুহূর্তের জন্য এই দলের সব ফুটবলার কঠোর পরিশ্রম করেছে। আজকের দিনটি গর্বের, আজকের দিনটি তৃপ্তির।”











