প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৭ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে নদী থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীর মাঝামাঝি এলাকায় বালু উত্তোলনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
১ মার্চ রাত ৯টার দিকে বাহিরচর ইউনিয়নের ১২ দাগস্থ পুরাতন ফেরিঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদী এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়।
অভিযানকালে কুষ্টিয়া-ট-১১-৩৩৭৯ নম্বরের একটি বালিভর্তি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। এ সময় ট্রাকের চালক মো. পিন্টু (২২), পিতা আব্দুল লতিফ, গ্রাম সোনাইকুন্ডি, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া এবং হেলপার মো. মেহেদি (২০), পিতা নাগর মন্ডল, একই গ্রামের বাসিন্দাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক শুনানি শেষে ট্রাকচালক মো. পিন্টুকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া বালিভর্তি গাড়িটি জব্দ করা হয় এবং একটি ড্রাম ট্রাকের ২টি ব্যাটারি ও একটি বেকুর ২টি ব্যাটারিও জব্দ করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নদীর পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।












