মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে গরু চুরির ঘটনায় এক সৌদি প্রবাসীকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের বাসাইল মৌলভীর মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের ঘোরামারা গ্রামের তুফানী মন্ডলের ছেলে শুসংকর মন্ডল কালুর একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মৃত লতিফ ভূইয়ার ছেলে সৌদি প্রবাসী আকরাম ভূইয়া পাপ্পুকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি ও তার পরিবার।
আকরাম ভূইয়া পাপ্পু বলেন, আমি প্রায় ১০ বছর সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটিয়ে সম্প্রতি ছুটিতে দেশে আসি। দেশে এসে নিজ বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করলে পাশ্ববর্তী বাড়ির লোকজনের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আমাদের বাড়ির কিছু অংশ জোর পূর্ব দখল করে আছেন মৃত নূর ইসলাম গং। একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করেও সমাধান হয়নি।
কিছুদিন আগে ঘোরামারা এলাকায় একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। আমার সঙ্গে পূর্ব বিরোধ থাকায় স্থানীয় কিছু লোক ওই ঘটনায় আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করছে। পাশের বাড়ির বিল্লাল কসাইয়ের অনুরোধে আমি তাকে মোটরসাইকেলে করে ইমামগঞ্জ বাজারে নিয়ে যাই। ওই ঘটনাকেই ভিত্তি করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এবিষয় বিল্লাল হোসেন বলেন, আমি মকবুল কসাইয়ের সঙ্গে কাজ করি। গত বুধবার (০৬ মে ২০২৬) তিনি আমাকে জরুরি ভিত্তিতে ইমামগঞ্জ বাজারে যেতে বলেন। তখন পাপ্পু ভাই আমাকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যান। সেখানে একটি গরু কেনাবেচা নিয়ে আলোচনা হয়। পরে আমরা চলে আসি। পরবর্তীতে গরুটি চুরির বলে অভিযোগ উঠলে পূর্ব শত্রুতার জেরে আমাদের নাম জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এবিষয়ে কসাই মকবুল হোসেন বলেন, বিল্লাল আমার সাথে যোগাযোগ করে গরুটি বিক্রির কথা জানায়। পরে বিল্লালের মাধ্যমে আমি গরুটি ৯০ হাজার টাকায় কিনি। তখন গরুটি চোরাই ছিল কিনা, সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা ছিল না। এ ঘটনার সাথে কারা জড়িত, সেটিও আমি জানি না।












