মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৮০ কেজি গাঁজা, ১ টি মাইক্রোবাস, ১ টি প্রাইভেটকার, ৩ টি টাচ মোবাইলসহ ২৮ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ করাসহ এবং ৫ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার সকাল সাড়ে সাতটায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ছয়হাড়া সেতুর পশ্চিমে টোল প্লাজার সামনে এসব মালামালসহ মাদক কারবারিদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন,
শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে মো. রোমেল মিয়া (২৪), একই গ্রামের আছির মাহমুদ এর ছেলে হুমায়ুন মিয়া (৩৭),
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ( নোয়াগাও) গ্রামের
আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলে মো. শামিম মিয়া (৩২), হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের মৃত- রুস্তম আলীর ছেলে নুর আলী (৪৫), সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের গাগলি গ্রামের মৃত- গোলাম কবীর এর ছেলে মো. ইমরান হোসেন।
এছাড়াও শান্তিগঞ্জের জয়কলস ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের মৃত- তোয়াজুল মিয়ার ছেলে সিরাজ মিয়া (৭০) পলাতক রয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানার ছয়হারা এলাকায় জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ রাস্তার ছয়হারা ব্রীজের পশ্চিম পাশে টোল প্লাজার সামনে
গোপন সংবাদ পাই যে আসামী সিরাজ মিয়া এবং আসামী নুর আলী এর নিকট থেকে গাঁজা ক্রয় করে হবিগঞ্জ থেকে তার বাড়িতে আনার জন্য গাড়ীসহ আরো লোক নিয়ে হবিগঞ্জে গিয়েছে। এবং গাঁজা সহ হবিগঞ্জ থেকে রওয়ানা হয়েছে। এর ভিত্তিতে বিভাগীয় ষ্টাফ এএসআই জয় কুমার রক্ষিত, সর্ব সিপাই রাজেন্দ্র সরকার অমিত, দিব্য দেব, মাহিন খান ও অনিক মিয়াসহ একটি রেইডিং টিম গঠন করে ভাড়াকৃত গাড়ী যোগে শান্তিগঞ্জ থানার ছয়হারা এলাকায় জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ রাস্তার ছয়হারা ব্রীজের পশ্চিম পাশে টোল প্লাজার সামনে রাস্তার পাশে উপস্থিত হয়ে গোপনে অবস্থান নেয়। এসময় জগন্নাথপুর হতে সুনামগঞ্জ গামী সাদা রং এর প্রাইভেট কার যার মডেল ১০০, রেজিঃ নং ঢাকা মেট্রো গ-১৩-১৫৫৫ এবং সাদা রং এর মাইক্রোবাস রেজিঃ নং মৌলভীবাজার চ-১১-০০৬৭ ঘটনাস্থলে পর পর আসিলে সিগনাল দেওয়া হয়। এরপর গাড়ি থামাইয়া ঘেরাও পূর্বক ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এদেরকে সাথে নিয়ে বিধি মোতাবেক প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস দুইটি ও আসামীদের দেহ তল্লাশী করে প্রাইভেটকার এর পিছনের সীটের উপরে রাখা গাঁজা ৫০ কেজি এবং প্রাইভেটকার এর ব্যাক ডালার ভিতরে গাঁজা ৩০ কেজিসহ ৮০ (আশি) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আলামত গাঁজা অধিদপ্তর কর্তৃক সরবরাহকৃত ডিজিটাল ওজন এসময় আসামীর প্যান্টের পকেট হতে তিনটি মোবাইল সেট উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল কবীর জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শান্তিগঞ্জ থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।












