সাম্প্রতিক
বেড়িবাঁধের বরাদ্দের এক টাকাও লুটপাট করতে দেওয়া হবে না: নাহিদ ইসলাম সোমবার শোক দিবস পালন করবে বিএনপি শেখ হাসিনার অন্তিম যাত্রা ফ্যাসিস্টের দোসর আইনুল হলেন সামাজিক বিজ্ঞানের ডিন, ক্যাম্পাসজুড়ে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর রাতভর বৃষ্টিতে ‘ডুবল’ রাজধানী, ভোগান্তিতে নগরবাসী লজ্জা থাকলে শেখ হাসিনা ওই মুখ দেখাতেন না: সারজিস ‘প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন, না হলে মূল্য দিতে হবে’: যুক্তরাষ্ট্রকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি রেফারিকে মেসি বললেন, ‘আমাকে সম্মান দিয়ে কথা বলো’

রাজবাড়ীর কালুখালীতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবতী অন্তঃসত্ত্বা, সন্দেহের তীর ফজলুর দিকে

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় ২২ বছর বয়সী এক বাকপ্রতিবন্ধী যুবতী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ওই যুবতী কালুখালীর চাঁদপুর এলাকার এক কবিরাজের মেয়ে বলে জানা গেছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বাকপ্রতিবন্ধি ঐ যুবতীর শারীরিক অবস্থার অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি লোক মারফত স্থানীয় থানার নজরে এলে কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বাকপ্রতিবন্ধি ঐ যুবতীকে দ্রুত ডাক্তারি পরীক্ষার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে গত ১ এপ্রিল তারিখে যুবতীর বাবা তাকে রাজবাড়ী আরোগ্য ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, তিনি প্রায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ঘটনার পর থেকেই কবিরাজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও স্থানীয়ভাবে ‘দালাল’ হিসেবে পরিচিত ফজলু চিকিৎসকের দেওয়া তথ্যের বিষয়ে জানতে পেরে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। আর একারণেই তাকে ঘিরে সন্দেহ ঘনীভূত হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আখের আলী জানান, “ফজলু প্রায়ই সময়ে অসময়ে কবিরাজের বাড়িতে যাতায়াত করত। প্রথম থেকেই আমরা তাকে সন্দেহ করেছিলাম। এখন সে এলাকা থেকে  পালিয়ে যাওয়ায় তার প্রতি সন্দেহ আরও বেড়েছে।”
এদিকে, কালুখালীর রতনদিয়া এলাকায় ফজলুর বাড়িতে খোঁজ নিতে গেলে সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মিরা রানী জানান, “বাকপ্রতিবন্ধি যুবতী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার আশঙ্কায় প্রায় এক সপ্তাহ আগে সে পালিয়ে ফরিদপুরে চলে গেছে।”
ফজলুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে। মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্যকর অবস্থার।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনার সত্যতা উদঘাটন এবং জড়িতদের দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :