যশোরের শার্শার নাভারণ বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হুমকি

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ বুরুজবাগান গার্লস স্কুলের অ্যাডহক কমিটির সভা শেষে স্কুল কমিটির সভাপতি এবং অন্যান্য সদস্যদের বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মেহদী হাসান রনি ও হালিমসহ ১০-১২ জনের একটি দল এই হুমকি দেয়।

গত ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে  যশোর জেলা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের অনুমোদন পায় ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি। সকল তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই শেষে তানভীর ইসলাম খান কনি কে  বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, নবনির্বাচিত সভাপতি তানভীর ইসলাম খান কনি এমএসসি  পাস এবং তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটানা ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সাল থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাথে সম্পৃক্ত হন এবং বর্তমানে তিনি শার্শা থানা কমিটির প্রস্তাবিত গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

এ বিষয়ে নাভারণ বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. তানভীর ইসলাম খান কনি বলেন, “স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য আমার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইসলামপুর গ্রামের মামনুর রশিদ। এই মামনুর রশীদের ইন্ধনেই অ্যাডহক কমিটির সভা শেষে রনি ও হালিম আমাকে হুমকি দেয় এবং স্কুল থেকে বের হয়ে যেতে বলে। ওই কুচক্রী মহল শিা বোর্ডের চেয়ারম্যানের অনুমোদন উপো করে আমাকে স্কুল কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রকারীরা সম্প্রতি স্কুলের সামনে গত ১৭ আগস্ট বহিরাগত কিছু লোক এনে আমার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মানববন্ধন করে, যেখানে বিদ্যালয়ের কোনো অভিভাবক বা শিার্থীরা উপস্থিত ছিল না।”

স্থানীয়রা জানান, মামুনুর রশিদ নিজের ফায়দা হাসিল করতে না পেরে বিভিন্ন অপতৎপরতা শুরু করেছেন। শিক্ষা বোর্ডের কাছে যাচাই-বাছাইয়ে তিনি অযোগ্য প্রমাণিত হওয়ার পরই মূলত কনি সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে একটি ভুয়া মানববন্ধন করান। এছাড়া সম্প্রতি একটি জুয়ার আসর থেকে লোক ধরে নিয়ে গেলে মামুনুর রশিদ তাদের ছাড়াতে থানায় যান, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এমন ব্যক্তি অপরাধীদের আশ্রয়দাতা হিসেবে কাজ করছেন।
অপরএকটি সুত্র বলে মামুনুর রশিদ কনিকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিতে মিথ্যা ভুয়া একটি আবেদন শিক্ষাবোর্ডে করেছে এমন গুঞ্জন উঠেছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

খাসকামরায় ডেকে ড্রাইভারের চোখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ বিচারকের বিরুদ্ধে

ঢাকার ৭ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে নিজের গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুকে খাসকামরায় ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ