বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বৈধ প্রশিক্ষণ সনদ না থাকায় ‘এনএমএস ফার্মেসি’ নামে একটি ওষুধের দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সাথে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় কথিত ডাক্তার আলিমুল ইসলামকে (৫৮) ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
দণ্ডিত আলিমুল ইসলাম উজিরপুর উপজেলার বাহের ঘাট গ্রামের আব্দুল আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি প্রেসক্রিপশনে ‘এম.বি.ই.এইচ (ভারত)’, ‘ডি.এম.এফ (ঢাকা)’ এবং ভারতের এন.আর.এস মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিচয়ে মেডিসিন, চর্ম, যৌন ও এলার্জি রোগের বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে দাবি করে দীর্ঘদিন রোগী দেখে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) রাতে বাবুগঞ্জ কলেজ গেট এলাকায় অবস্থিত এনএমএস ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় ফার্মেসিটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ভুয়া চিকিৎসকের কোনো বৈধ প্রশিক্ষণ সনদ না পাওয়ায় চিকিৎসা সেবা ও ফার্মেসির সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
এতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মো: তামিম মল্লিক। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা।
কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ফার্মেসির প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র এবং আলিমুল ইসলামের সঠিক ও বৈধ চিকিৎসকের সনদ না পাওয়া পর্যন্ত এনএমএস ফার্মেসির সকল প্রকার কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।




