টাঙ্গাইলে লাইনচ্যুত নীলসাগর এক্সপ্রেস: সিরাজগঞ্জে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ, ডাবল লাইনের দাবি

​তারিকুল আলম: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার প্রভাবে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রেলপথ ব্যাহত হয়েছে। ফলে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন রেলস্টেশনে নেমে এসেছে চরম যাত্রীভোগান্তি। ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন চলাচল স্থবির হয়ে পড়ায় নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সবাই।

​বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সিরাজগঞ্জের স্টেশনগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায় যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্র। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ক্ষুব্ধ ও ক্লান্ত যাত্রীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে এই রুটে দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে অবিলম্বে ডাবল লাইন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা।

​সিরাজগঞ্জের সায়দাবাদ স্টেশনের ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, ঈশ্বরদী থেকে আসা একটি উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শেষ করেছে। লাইন পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে আরও দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। তিনি মন্তব্য করেন, “রেলপথে ডাবল লাইন নির্মাণ না করা পর্যন্ত এ ধরনের আকস্মিক ভোগান্তির স্থায়ী নিরসন সম্ভব নয়।”

​সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ট্রেনের সিডিউল চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে:

  • ​চিলাহাটি এক্সপ্রেস: সায়দাবাদ স্টেশন থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও তা নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি।
  • ​সিল্কসিটি এক্সপ্রেস: ইব্রাহীমাবাদে সকাল ১০টা ১০ মিনিটের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বিলম্বে চলেছে।
  • ​বনলতা এক্সপ্রেস: সকাল ৯টায় ছাড়ার কথা থাকলেও অনির্দিষ্টকাল বিলম্বের মুখে পড়ে।

​দুর্ভোগ নিরসনে অতিদ্রুত ট্রেন চলাচল সচল করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ আশা করছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

 

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top