কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, বাধ্যকমূলক অবসরে এএসপি

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কাজী মিজানুর রহমানকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। তিনি অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দিনাজপুর জেলায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিভাগীয় মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় কাজী মিজানুর রহমানের। পরবর্তী সময়ে ওই নারীর সঙ্গে তিনি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের মধ্যে স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভাগীয় তদন্তে বলা হয়, একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়ানোর মধ্য দিয়ে তিনি পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। এ কারণে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নেওয়া হয় এবং গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়ার পর তার অবসরের আদেশ জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কাজী মিজানুর রহমানকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। তিনি অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দিনাজপুর জেলায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিভাগীয় মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় কাজী মিজানুর রহমানের। পরবর্তী সময়ে ওই নারীর সঙ্গে তিনি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের মধ্যে স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভাগীয় তদন্তে বলা হয়, একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়ানোর মধ্য দিয়ে তিনি পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। এ কারণে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নেওয়া হয় এবং গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়ার পর তার অবসরের আদেশ জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top