মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার চন্দ্রখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না হওয়ায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী অনিক ইসলাম। প্রকল্পের শতভাগ বাস্তবায়ন দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই মন্ত্রী।
ইতোমধ্যে চন্দ্রখালী পুনঃখনন কাজ শেষে পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। পরিদর্শন শেষে খালে বৃক্ষরোপণ করেছেন দুই মন্ত্রী।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গাজী খালী নদীর উৎসমুখ হতে বালিয়াটি খলিলাবাদ পর্যন্ত ৬.৯ কিলোমিটার চন্দ্র খালী খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার পরও মোট ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ১৫৬ টাকা থাকে। পরবর্তীতে সেই অর্থ নিয়ম মেনে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
সাটুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৬.৯ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে একাধিকবার পাড় মেরামতের পাশাপাশি খালের দুপাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী অনিক ইসলাম বলেন, ঐতিহ্যবাহী এ খালটি সময়ের সঙ্গে দখল ও ভরাট হয়ে প্রায় অকেজো হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। খালের বিভিন্ন স্থানে প্রস্থ ভিন্ন হওয়ায় প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে।




