সাম্প্রতিক
তরুণ সমাজ থেকে বিতাড়িত হয়ে সমকামীদের কাছে টানার বার্তা আরএসএস প্রধানের! চুয়াডাঙ্গায় খাল খনন শেষে প্রায় ২০ লাখ টাকা কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও বলাৎকারের চেষ্টার পর ভয় দেখিয়ে শিশুর হাতে দেন পাঁচ টাকা জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা পুরস্কৃত, আগস্ট পর্যন্ত বাড়লো মেয়াদ সুন্দর দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানির দাম বাড়লেই যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে আসে: বাঘাই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ১০ আগস্ট হাসিনার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি: মাহমুদা মিতু শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলা শেখ হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ সেমিনারে একই বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ: ব্যাখ্যা দিলেন জবি প্রক্টর

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একই বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিয়ে ওঠা সমালোচনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দীন।
গত ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে দেশের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই শতাধিক (২৫০ জনের বেশি) শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্যোক্তা অংশ নেন। এর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তাদের মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থী ছিলেন।
এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীর মধ্যে সমালোচনা ও অসন্তোষ দেখা দিলে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন প্রক্টর।
অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দীন বলেন, প্রশাসনের কাছে অল্প সময়ের মধ্যে এমন কিছু শিক্ষার্থীর তথ্য চাওয়া হয়েছিল, যারা প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করে বা এ বিষয়ে আগ্রহী। সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত তথ্য পাঠাতে হয়েছে।
তিনি বলেন, “সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক পড়াশোনা ও গবেষণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। আমি নিজেও ওই বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় তাদের যোগ্যতা ও বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অবগত ছিলাম। সে কারণেই দ্রুততম সময়ে তাদের তথ্য রেজিস্ট্রারের দপ্তরে পাঠানো হয়।”
প্রক্টর আরও জানান, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর কয়েকজন প্রতিনিধি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের তথ্য প্রদান করায় তাদের নামও তালিকায় যুক্ত করা হয়।
তিনি দাবি করেন, পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। বরং নির্ধারিত যোগ্যতা, প্রযুক্তি বিষয়ে সম্পৃক্ততা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সরবরাহের ভিত্তিতেই অংশগ্রহণকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :