কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় চলমান ফ্যামিলি কার্ড শুমারির সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকা প্রকাশের পর উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তালিকায় সাবেক ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের একাধিক নেতা-কর্মীদের নাম থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—শুমারির মতো সংবেদনশীল কাজে রাজনৈতিক পটভূমির ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি কতটা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হবে।
এ বিষয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আগের ইউএনও স্যার সব তালিকা চূড়ান্ত করে গেছেন। আমি শুধু পাবলিশ করেছি।” অর্থাৎ বর্তমান ইউএনও তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়ে পূর্বসূরির ওপর দায় চাপিয়েছেন।
ফ্যামিলি কার্ড শুমারি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রম। এর মাধ্যমে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ও সরকারি সেবা বিতরণে ব্যবহৃত হয়। তাই তালিকায় রাজনৈতিক পরিচয়সম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও অবিশ্বাস তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
স্থানীয়রা দাবি করছেন, শুমারি কার্যক্রম যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়। তালিকা পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনে সংশোধনের দাবিও উঠছে।
বিষয়টি নিয়ে আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।