সাম্প্রতিক
শেখ হাসিনার অন্তিম যাত্রা ফ্যাসিস্টের দোসর আইনুল হলেন সামাজিক বিজ্ঞানের ডিন, ক্যাম্পাসজুড়ে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর রাতভর বৃষ্টিতে ‘ডুবল’ রাজধানী, ভোগান্তিতে নগরবাসী লজ্জা থাকলে শেখ হাসিনা ওই মুখ দেখাতেন না: সারজিস ‘প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন, না হলে মূল্য দিতে হবে’: যুক্তরাষ্ট্রকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি রেফারিকে মেসি বললেন, ‘আমাকে সম্মান দিয়ে কথা বলো’ টানা ভারী বর্ষণে বেনাপোল বন্দরের কোটি টাকার পণ্য তলিয়ে গেছে পানিতে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’ সরানো হলো ৬ লাখের বেশি মানুষ

রাতভর বৃষ্টিতে ‘ডুবল’ রাজধানী, ভোগান্তিতে নগরবাসী

রাতভর মুষলধারে বৃষ্টিতে ডুবল রাজধানী। রোববার (১২ জুলাই) কর্মদিবসের প্রথম সকালেও বৃষ্টি না কমায় ঢাকার প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি থইথই করছে পানি। রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতে তৈরি হওয়া এই জলাবদ্ধতায় দিনের শুরুতেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রী এবং জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষকে পড়তে হয়েছে তীব্র বিড়ম্বনায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত মাত্র ৬ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিকুল নেওয়াজ কবীর জানান, চলতি জুলাই মাসের এই সময়ের মধ্যে রাজধানীতে এটিই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। স্বল্প সময়ের মধ্যে এত বেশি বৃষ্টি হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।

সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যেই গ্রিনরোড, তেজতুরী বাজার, পান্থপথ, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মণিপুর, ধানমন্ডি ২৭ ও ৩২ নম্বর এলাকা, মোহাম্মদপুর, কালশী, মৌচাক, মালিবাগ, মতিঝিলসহ বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রধান সড়ক ও ভেতরের রাস্তাগুলোতে কোথাও গোড়ালি, আবার কোথাও হাঁটুপানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচল প্রায় থমকে গেছে। অনেক অলিগলি ও সংযোগ সড়ক পানির নিচে চলে যাওয়ায় বাসা থেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে কয়েকটি এলাকায় সড়ক ও ফুটপাতের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন।

সবচেয়ে নাজুক ও বেশি জলাবদ্ধতার চিত্র দেখা গেছে শেওড়াপাড়া এলাকায়। সেখানে প্রধান সড়কের পাশাপাশি আশপাশের প্রায় সব অলিগলিই এখন পানির নিচে।

শেওড়াপাড়ায় বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী জামাল উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সপ্তাহের প্রথম দিনই সাতসকালে এই দশা। মেইন রোডেই হাঁটুপানি, গলির ভেতর তো আরও বেশি। রিকশাওয়ালারা দ্বিগুণ ভাড়া চাচ্ছে, বাসেও ওঠা যাচ্ছে না। প্রতি বছরই তো ড্রেন পরিষ্কারের কথা শুনি, কিন্তু বৃষ্টি হলেই কেন এভাবে আমাদের ডুবতে হয়?’

নগরবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সামান্য বৃষ্টিতেই ঢাকার এভাবে তলিয়ে যাওয়ার পুরোনো সংকট থেকে এখনও মুক্তি মেলেনি।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :