রুহিয়া ও ভুল্লি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রশাসনিক উন্নয়নের পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি, যোগ্য নেতৃত্ব এবং সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারলে রুহিয়া একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “রুহিয়া ও ভুল্লি উপজেলা হওয়ার ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও সরকারি সেবার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করতে হবে।”
তিনি তরুণ সমাজের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মাদক আজ যুবসমাজের জন্য একটি বড় হুমকি। তরুণদের মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। তাদেরকে খেলাধুলা, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা ও ক্রীড়া কার্যক্রম যুবসমাজকে বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে হয় না। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সচেতন নাগরিক, দক্ষ নেতৃত্ব এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চা। রুহিয়া ও ভুল্লির নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে লালন করতে পারলে এই জনপদ আরও সমৃদ্ধ হবে।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়া সংগঠক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি জেলা বিএনপির সভাপতি ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা রুহিয়ার উন্নয়নে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার প্রসারে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভা শেষে এলাকার তরুণদের মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, নিয়মিত খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন উপজেলা হিসেবে রুহিয়া ও ভুল্লি আগামী দিনে উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।











