তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী

সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩(৪) বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এই দাপ্তরিক দায়িত্ব বণ্টন ও পুনর্বণ্টন করেছেন।

এদিকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ-৯ আসন থেকে নির্বাচিত হন ইয়াসের খান চৌধুরী।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

খুলনায় স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা: জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

অদ্য ২৬/০৮/২০২৬ রোজ বধবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে খুলনা বিভাগে এইচপিভি টিকা এবং ইপিআই কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভাগীয় কর্মশালা, যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করার নির্দ.. খুলনা হোটেল সিটি ইনে আয়োজিত দিনব্যাপী এই পর্যালোচনা কর্মশালায় খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় প্রধানত জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের জন্য নির্ধারিত এইচপিভি টিকার সফল বাস্তবায়ন এবং ইপিআই কর্মসূচির পরিধি বিস্তারের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এই টিকার আওতায় নিয়ে আসার যে জাতীয় চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা কীভাবে খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় শতভাগ সফল করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী দশ জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ এলাকার কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন, যা মূলত স্বাস্থ্যসেবার তৃণমূল পর্যায়ের সক্ষমতা ও বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং ভুক্তভোগী ও লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর সচেতনতার অভাবকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা জানিয়েছেন যে, এইচপিভি টিকা নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার ও তথ্যের ঘাটতি দূর করা না গেলে শতভাগ কাভারেজ অর্জন করা কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিভাগের একক প্রচেষ্টায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল হওয়া সম্ভব নয়। তিনি মিডিয়ার ভূমিকা এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইমামদের মাধ্যমে মসজিদের মুসল্লিদের অবহিত করলে টিকার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার অভাব বা গাফিলতি জনস্বাস্থ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাই প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে আরও বেশি জবাবদিহিতার আওতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি-পুলিশবাহিনী জনপ্রত্যাশিত বাহিনীতে পরিণত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের এই পুলিশবাহিনী জনপ্রত্যাশিত