সাম্প্রতিক
আমরা বলেছি সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করবো, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয় কুড়িগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার তুলে দিলো প্রশাসন পূর্বাচলে ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন বেনাপোলে আধুনিক হাসপাতালের দাবি: রাজস্ব আয়ের বিপরীতে সেবাবঞ্চিত জনপদ রাজবাড়ীতে ডিবির অভিযানে ৯০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার অজ্ঞাত ১৫ বছর বয়সী মেয়ের পরিবারের সন্ধান চায় ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার কুড়িগ্রামে এনসিপির ৩৬ দিনের জুলাই জাগরণ কর্মসূচি শুরু কালিয়াকৈরে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মরণফাঁদ বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছাদ খসে পড়ার আতঙ্কে খোলা আকাশের নিচেই পাঠদান সমরাস্ত্র কারখানার জন্য ৫৫ একর জমি পেল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

বিষখালী নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা কার্যক্রমের উদ্বোধন

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন বিষখালী নদীর ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিকেল ৫টায় ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন, পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মামুন আল ইসলাম, রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি, কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেন এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), ঝালকাঠির নির্বাহী প্রকৌশলী এ.কে.এম. নিলয় পাশাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
উদ্বোধনের পরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝালকাঠির উদ্যোগে ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরি এ্যানি বলেন, বর্তমান সরকার একদিকে মরে যাওয়া খাল খনন করে কৃষকদের চাষাবাদে সহযোগিতা করছে, অপরদিকে খরস্রতা নদীর ভাঙনের গ্রাস থেকে নদী তীরের মানুষকে রক্ষা করার জন্য জিও ব্যাগ ফেলাসহ ব্লক ফেলার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বিষখালী নদীর ভাঙন থেকে রাজাপুর এবং কাঠালিয়ার মানুষকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
আলোচনা সভায় জানানো হয়, নদীর ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৪টি প্যাকেজের আওতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
একই সঙ্গে বিষখালী নদীর এই অংশে স্থায়ী নদী সংরক্ষণ স্কিম গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্কিমটি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘমেয়াদে নদীভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :