সাম্প্রতিক
প্রতারণার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে পিটুনি, থানায় সোপর্দ সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন : টিআইবি ৪৮০০ জনকে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু সরাসরি ফিফা থেকে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনছে বিটিভি, ব্যয় ৭২ কোটি খুতবার মাঝখানে থেমে গেলেন মসজিদে নববীর ইমাম, দিলেন সতর্কবার্তা ঈদের নবম দিনেও যমুনা সেতুতে সাড়ে ৩ কোটি টাকার টোল আদায় গ্যাস সংকটে সার কারখানা চালু হচ্ছে না: সংসদে শিল্পমন্ত্রীগ্যাস সংকটে সার কারখানা চালু হচ্ছে না: সংসদে শিল্পমন্ত্রী সাতক্ষীরায় পুলিশ বিভাগের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত মতিঝিলে জনতা ব্যাংকের সামনে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই প্রথম নির্বাচনেই সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বাজিমাত তামিমের

৪৮০০ জনকে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু

সোমবার,৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৮০০ জনকে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আরও ৮৩৬ জন বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন এবং তাদেরও ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ ও বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের অগ্রগতির তথ্যও তুলে ধরেছেন তিনি। রোববার (৭ জুন) কলকাতায় আয়োজিত ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘যারা সিএএ-এর আওতায় পড়েন না, এমন অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ম মেনে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে ভারত সরকারের একটি আইন রয়েছে। সেই আইনে তাদের কারাগারে না পাঠিয়ে সরাসরি বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের বিধান রয়েছে। কিন্তু এতদিন পশ্চিমবঙ্গে তা কার্যকর হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ জনকে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ৮৩৬ জন সেখানে অবস্থান করছেন। তাদের খাবার ও অন্যান্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করে পরবর্তী সময়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।’

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৫৬ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত রয়েছে। সেখানে কাঁটাতার নির্মাণের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকার জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’ অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।’

শুভেন্দুর দাবি, ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এসব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে জনবিন্যাস অনেক আগেই পরিবর্তিত হয়েছে।’

উল্লেখ্য, অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের প্রথমে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে। পরে বিএসএফের মাধ্যমে তাদের সীমান্তের ওপারে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিএসএফ বা বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :