সাম্প্রতিক
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি নেতৃত্বাধীন কমিশনের বৈঠক চলছে মাদক মামলায় সখিপুরে একজনের যাবজ্জীবন রাজবাড়ীতে ৫টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে চালানবিহীন ট্রাকভর্তি ৩৮০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ ভোলা বোরহানউদ্দিনে ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নে কৃষকের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন ভৈরবে বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: নিহত ২, আহত ২০, কয়েকটি বাড়িতে আগুন চার বছরে বেকারি পণ্য সরবরাহকারী থেকে ৩২ দোকান ও প্লটের মালিক, সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন বেপরোয়া ট্রলির ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে মেরে দিলো রাজবাড়ী সদরে র‍্যাবের অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ৫ আনন্দের মুহূর্তেই দীঘির পানিতে নিভে গেল সিমরানের প্রাণ

আদমদীঘিতে মামলা দায়েরের চার দিন পার হলেও আসামী না ধরায় জনমনে ক্ষোভ

বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলার কোমারপুর গ্রামের স্হানীয় বাসিন্দা ছামছুল হক মন্ডলের ছেলে, মো মাসুম রাব্বী(৩২)। (১ এপ্রিল ২৬) বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আড়ো ২০ জনের নামে এজাহার দায়ের করেন। এজাহার দায়েরের ৪ দিন(৯৬ঘন্টা) পেরিয়ে গেলেও পুলিশের জোরালো ভূমিকা না থাকায় আসামি এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মাসুম। প্রাথমিক তদন্তে ১৪৩/৩২৩/১২৫/৩০৭/৫০৬। ধারায় মামলা রেকর্ড হয়। মামলা রেকর্ড হলেও থেমে যায় পরবর্তী পদক্ষেপ আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় উপজেলার সচেতন মহলে উঠছে নানান প্রশ্ন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ কি এখনো ব্যর্থ। এজাহার সুত্রে জানা যায়, মোঃ মাসুম রাব্বী (৩২), পিতা-মোঃ ছামছুল হক মন্ডল, সাং-কোমারপুর, থানা-আদমদীঘি, জেলা-বগুড়া। এজাহার দায়ের করিতেছি যে, আসামী ১।  বাবর (১৬), পিতা বলাই, ২। ইসতি (১৯), পিতা আজাদুল সরদার, ৩। রোহান (১৮), পিতা রফিকুল ইসলাম, ৪।ফাহিম ইসলাম (১৬), পিতা-লালকু মিয়া, ৫। রিমন (১৮), পিতা কুদ্দুস, ৬। ছিজান সরদার (১৪), ৭।  সিয়াম সরদার (২০), উভয় পিতা- রবিউল সরদার, সর্ব সাং- বড় জিনুইর, থানা-আদমদীঘি, জেলা-বগুড়াগন সহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন। গত ইং- ২৫/০৩/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ১১.৩০ ঘটিকায় আদমদীঘি থানাধীন ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের কোমারপুর গ্রামের কোমারপুর দ্বী-মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে উক্ত আসামীগণ ক্রিকেট খেলতে আসে। আমার বড় ভাই মোঃ শাহিনুর ইসলাম (৩৫), পিতা- মোঃ ছামছুল হক মন্ডল মাঠের পাশে তার কলাগাছের জমি দেখার জন্য যায়। আমার ভাই জমিতে যাওয়ার পর জমির ভিতরে কয়েকটি ছাগল কলাগাছ নষ্ট করিতেছে দেখিতে পাই। আমার ভাই বাঁশের কুনচি দ্বারা জমি থেকে ছাগলগুলোকে তাড়ানোর চেষ্টা করিলে ছাগলগুলো  মাঠে প্রবেশ করিলে উক্ত আসামীগণ আমার ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে এবং আসামীদের হাতে থাকা ক্রিকেট ব্যাট দ্বারা আমার ভাইকে পরপর কয়েকবার বুকে এবং কোমরে আঘাত করিয়া বাম পাঁজরের দুটি হাড় ভেঙে ফেলে । শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা জখম করে। আমার ভাইয়ের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন সহ আমরা আগাইয়া আসিলে উক্ত আসামীগণ আমার ভাইকে ভয়ভীতি সহ রাস্তা দিয়ে যাইতে নিষেধ করে প্রাননাশের হুমকি প্রদান করিয়া দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরে ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় আমার ভাইকে আদমদীঘি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। পরে শারীরিক অবস্থা অবনতি হইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফাট  করেন। উক্ত ঘটনার স্বাক্ষী জীনইর গ্রামের ও কোমারপুর গ্রামের অনেকেই ঘটনাটি দেখিয়াছে এবং শুনিয়াছে। আমি নিরুপায় হইয়া এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহিত ও নিকট আত্মীয় এবং পরিবারের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মাসুম রাব্বী বলেন, আমি এখনো বুঝতে পারছি না আমার মতো অসহায় মানুষ গুলো কি আইনের সহয়তা পাবেনা। আসামীরা চক্ষের সামনে বুক ফুলিয়ে ঘোরাফেরা করছে কোন অদৃশ্য কারনে আসামীরা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে তা আমি জানিনা। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই যারা আমাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর উদ্দেশ্যে গুরুতর যখন করেছে তাদের সকলকে আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হোক। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  এসআই ফেরদৌস আলী বলেন,প্রধান ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হবে। বাক ৪ জন উল্লেখিত আসামীদের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। এবং তিনি উল্লেখ করেন আসামীদের অবস্থান সনাক্ত করে তাকে বলতে তাহলে রাতে অভিযান পরিচালনা করবেন। এমন বক্তব্য শুনে সাংবাদিক হিসেবে বুঝতে পারলাম না আসামীদের অবস্থান সনাক্ত করা আসলে কার কাজ।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :