সাম্প্রতিক
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি সিরাজদিখানে খাল খননের টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রায় ৩০ লাখ টাকা জমা সাপ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় নিবেদিত দীঘিনালার তরুণ হৃদয়, উদ্ধার করেছেন তিন শতাধিক সাপ নেত্রকোনায় মজলিসে শুরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মহাসড়ক খুঁড়ে সুড়ঙ্গে ড্রেজারের অবৈধ পাইপ, ঝুঁকিতে নদীপাড়ের সড়ক হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে লালপুর থানার সাফল্য কচুয়া থানা পুলিশ কর্তৃক ২০১ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ০৩ জন গ্রেফতার” গোদাগাড়ীতে সড়ক সংস্কার: অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে মেলেনি সত্যতা ঝালকাঠিতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ভিমরুলীতে ডিজে ও উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেমে কড়াকড়ি, মাঠে প্রশাসন

চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন কে?

মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন, চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। এই শীর্ষ সন্ত্রাসী আজ বুধবার (২৯ জুলাই) যশোর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। তাতে তার হোয়াটসঅ্যাপ কলের আতঙ্ক থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাবেন ব্যবসায়ীরা। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের প্রতিনিয়ত কল দিয়ে ডেভিড ইমন চাইতেন চাঁদা, না দিলেই হতো হামলা।

যেমন গত রোববার ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে এক ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ১০তলা ভবনে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে ভবনটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

তার আগে গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রামে একটি ইন্টারনেট সেবাপ্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে ২ কোটি টাকা চাঁদা চেয়ে দুইদিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে চাঁদা না পেলে ওই ইন্টারনেট অফিসে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। লুট করা হয় প্রতিষ্ঠানটিতে বেতনের জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা। ওই হামলায় অন্তত ৩০ জন সন্ত্রাসী অংশ নেন। এই দুই ঘটনাতেই এসেছে ডেভিড ইমনের নাম।

কে এই ইমন?

মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে।

পুলিশের দাবি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরী এবং রাউজান, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় বেশিরভাগ চাঁদা দাবি ও হামলার নেপথ্যে রয়েছেন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের অনুসারীরা। একসময় ছোট সাজ্জাদ বড় সাজ্জাদের হয়ে সব অপরাধ করে বেড়াতেন। ছোট সাজ্জাদ গ্রেফতারের পর মোবারক হোসেন ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলার আসামি।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :