জয়পুরহাট কালাইয়ের নিভূত পল্লী গ্রামে বেড়ে ওঠা ‘আব্দুল বারী’ আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
জয়পুরহাটের গর্ব, ‘ডিসি বারী স্যার’, গ্রামের ছেলে থেকে সচিব হয়ে এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও জয়পুরহাট-২ আসনের এমপি। সততা, দক্ষতা ও জনসেবার প্রতীক – কালাই, ক্ষেতলাল, আক্কেলপুরের মানুষের কাছে তিনি ‘অভিভাবক’! জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবনঃ জন্ম: ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫, জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের বলিশিবসমুদ্র গ্রাম (গ্রামীণ পরিবেশে)। পিতা: জাফের আলী মন্ডল – মসজিদের ইমাম ও ব্রিটিশ আমলে ইউনিয়ন বোর্ডের সদস্য।
মাতা: মিছিরুন্নেছা বেগম। দরিদ্র কিন্তু মূল্যবোধসম্পন্ন পরিবারে বেড়ে ওঠা। এলাকায় এখনো ‘ডিসি বারী’ বলে ডাকা হয়। শিক্ষাঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন। ছাত্রজীবন থেকে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
কর্মজীবনঃ বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদান। সহকারী কমিশনার, ইউএনও, এডিসি। জেলা প্রশাসক (ডিসি): মানিকগঞ্জ ও পরে ঢাকা জেলা। বিভাগীয় কমিশনার (ঢাকা বিভাগ)। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচালক (প্রশাসন)।
জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক।
২০১৫ সালে সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ।
সততা ও পেশাদারিত্বের জন্য সারা দেশে প্রশংসিত। রাজনৈতিক জীবন ও অর্জনঃ
অবসরের পর এলাকায় ফিরে শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে নিয়োজিত।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়পুরহাট-২ আসন থেকে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত (১,৫৮,০৬৫ ভোট, ব্যবধান ৬৫,৫৪৮ ভোট)। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায়)। স্বাধীনতার পর জয়পুরহাট-২ থেকে প্রথম মন্ত্রী! চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করছেন। ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবারঃ বিবাহিত। স্ত্রীর নাম নাজমা আরা বেগম (তিনি নীরবে স্বামীর পাশে থেকে নির্বাচনী প্রচারেও সাহায্য করেছেন) সন্তান: একটি ছেলে তৌফিক হাসান একটি মেয়ে নাহিদ নওশীন বারী
সাদাসিধে, কর্মঠ, নম্র ও পরিবারকেন্দ্রিক জীবনযাপন করেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে এখনো ঘরোয়া সম্পর্ক বজায় রাখেন। মো. আব্দুল বারী প্রমাণ করেছেন – গ্রামের মাটি থেকে উঠে প্রশাসনের শীর্ষে যাওয়া যায়, আবার জনগণের ভোটে ফিরে এসে এলাকার উন্নয়ন করা যায়। জয়পুরহাট-২-এর মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে তিনি এখন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।












