শুনানিতে আসামি জিয়াউল আহসানকে জেলখানায় রেখে, সেখান থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণের মাধ্যমে মামলার বিচারকাজ পরিচালনার আবেদন করেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। তিনি বলেন, কারাগার থেকে ভিডিওর মাধ্যমে আসামির অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
গাজী মোনাওয়ার বলেন, অন্য আসামিরা জীবননাশের আশঙ্কার কথা বলছেন না। জিয়াউল যে নিরাপত্তার কথা বলছেন, এটা স্বীকার করেই তিনি বলছেন, তাঁকে না এনে কারাগারে রেখে ভার্চ্যুয়ালি শুনানি করা হোক।
প্রসিকিউশনের এসব কথার বিরোধিতা করেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী নাজনীন নাহার। তিনি বলেন, একা আনা হচ্ছে দেখেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। অন্য সব আসামির সঙ্গে জিয়াউলকে আনলে সমস্যা কোথায়, সেই প্রশ্ন রাখেন তিনি। অন্য কোনো আসামিকে একা আনা হয় না। জিয়াউলকে একা আনা হচ্ছে, এর উদ্দেশ্য কী, সে প্রশ্নও রাখেন তিনি।




