বিশ্বকাপ ফুটবল–২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ আজ দিবাগত রাতে। শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি স্পেন ও আর্জেন্টিনা। এই মহারণকে ঘিরে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলাজুড়ে এখন বইছে উৎসবের হাওয়া। পাড়া-মহল্লা, গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজার থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সবখানেই ফুটবল জ্বরে কাঁপছে মানুষ।
শিশু, কিশোর, তরুণ-তরুণী, মধ্যবয়সী থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন একটাই, কে জিতবে বিশ্বকাপ?
কেউ স্পেনের পক্ষে, কেউ আবার আর্জেন্টিনার। সেই সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে আরেকটি প্রশ্ন—লিওনেল মেসি কি এবারও নিজের জাদু দেখিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার কীর্তি গড়তে পারবেন?
ফাইনাল উপলক্ষে কাউখালীর বিভিন্ন এলাকায় চলছে পিকনিক, বারবিকিউ ও দলীয়ভাবে খেলা দেখার আয়োজন। বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের মিলনমেলা এবং সমর্থকদের ব্যানার-পতাকায় উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা।
সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। মাংস, মাছ, মুদি ও কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। ব্যস্ত সময় পার করছেন মাংস বিক্রেতা, মুদি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পণ্যের বিক্রেতারা। অনেকেই রাতের খেলা উপলক্ষে বিশেষ রান্নার আয়োজন করছেন।
এদিকে বর্ষাকাল হলেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বড় পর্দায় খেলা দেখার প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন। বিভিন্ন মোড়, ক্লাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার ও বড় হলরুমে বসানো হয়েছে প্রজেক্টর ও এলইডি স্ক্রিন। কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কায় রাখা হয়েছে জেনারেটরের ব্যবস্থাও। বৃষ্টি না হলে খোলা আকাশের নিচে বড় পর্দায় খেলা উপভোগ করবেন হাজারো দর্শক।
ফাইনালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে তুমুল আলোচনা, বন্ধুত্বপূর্ণ খুনসুটি এবং নানা ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঠের খেলাতেই সীমাবদ্ধ রাখতে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে খেলা উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।












