স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পবিত্র ওমরাহ পালন করলেন আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ডায়াস্পোরা বিষয়ক উপকমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া পবিত্র ওমরাহ পালন করেছেন। ওমরাহ শেষে তিনি দেশবাসীর কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে পবিত্র নগরী মক্কায় পৌঁছে ওমরাহ পালন করেন আসিফ মাহমুদ। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে দলের পক্ষ থেকে তার ওমরাহ পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরের ফ্লাইটে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন এনসিপির এই মুখপাত্র। তার সঙ্গে দলটির আরও কয়েকজন নেতা রয়েছেন।

সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ডায়াস্পোরা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আয়মান রাহাড, কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া উপকমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক এ আদেলসহ আরও কয়েকজন।

ওমরাহ পালন শেষে এনসিপির নেতারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আসিফ মাহমুদ।

বর্তমানে তিনি পবিত্র নগরী মক্কায় অবস্থান করছেন। সেখান থেকে তিনি মদিনা মুনাওয়ারায় যাওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ৩০ আগস্ট তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

খুলনায় স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা: জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

অদ্য ২৬/০৮/২০২৬ রোজ বধবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে খুলনা বিভাগে এইচপিভি টিকা এবং ইপিআই কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভাগীয় কর্মশালা, যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করার নির্দ.. খুলনা হোটেল সিটি ইনে আয়োজিত দিনব্যাপী এই পর্যালোচনা কর্মশালায় খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় প্রধানত জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের জন্য নির্ধারিত এইচপিভি টিকার সফল বাস্তবায়ন এবং ইপিআই কর্মসূচির পরিধি বিস্তারের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এই টিকার আওতায় নিয়ে আসার যে জাতীয় চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা কীভাবে খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় শতভাগ সফল করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী দশ জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ এলাকার কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন, যা মূলত স্বাস্থ্যসেবার তৃণমূল পর্যায়ের সক্ষমতা ও বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং ভুক্তভোগী ও লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর সচেতনতার অভাবকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা জানিয়েছেন যে, এইচপিভি টিকা নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার ও তথ্যের ঘাটতি দূর করা না গেলে শতভাগ কাভারেজ অর্জন করা কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিভাগের একক প্রচেষ্টায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল হওয়া সম্ভব নয়। তিনি মিডিয়ার ভূমিকা এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইমামদের মাধ্যমে মসজিদের মুসল্লিদের অবহিত করলে টিকার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার অভাব বা গাফিলতি জনস্বাস্থ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাই প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে আরও বেশি জবাবদিহিতার আওতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।