সাম্প্রতিক
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে ১২০০ মানুষের খাবার ও ফান্ড নিয়ে ছুটছে “কুমিল্লার জন্য আমরা” গ্রুপের ফাউন্ডার – ফজলুর রহমান ফাহিম কচুয়ায় ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগ চাচার বিরুদ্ধে পাবনায় ধর্ষণচেষ্টায় ২০ জুতার বাড়ি দিয়ে অভিযুক্তকে ছাড়ল ওয়ার্ড জামায়াত আমির জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন কুমিল্লায় ভারী বর্ষণে সদর হাসপাতালের ওয়ার্ডে হাঁটু পানি: রোগী ও পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি প্রস্তুত করা হচ্ছে: শিবির সভাপতি বিএনপি পাহারা না দিলে আওয়ামী লীগ এনসিপির নেতাদের গিলে ফেলত: রাশেদ খান মাছ শিকার করতে গিয়ে কটিয়াদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু মোহনগঞ্জে পুলিশের আটককৃত মাছ ধরার জাল ছিনিয়ে নিল জেলেরা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান

ঝালকাঠিতে ব্রয়লার মুরগি প্রতি ২ টাকা ইজারা নিয়ে বিতর্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

​ঝালকাঠি সদর উপজেলার বড় বাজারের মুরগি মহলের ইজারা গ্রহণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং ইজারাদারের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম অসন্তোষ। মুরগি প্রতি ২ টাকা হারে ইজারার টাকা দাবি করায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনার ঝড়।
জানা গেছে, ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. আলামিন হোসেন বিরন ঝালকাঠি সদর বড় বাজারের মুরগি মহলটি ২ লক্ষ ২১ হাজার টাকা মূল্যের সাথে ভ্যাট যোগ করে মোট ২ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকায় ইজারা নিয়েছেন। ইজারা নেওয়ার পর থেকেই তিনি মুরগি ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিটি মুরগি বিক্রির ওপর ২ টাকা হারে ইজারার টাকা দাবি করছেন।
​ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মুরগি প্রতি ২ টাকা হারে চাঁদা আদায় করলে বছরে প্রায় ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা আদায় হবে, যা সরকারি ইজারার মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি। ব্যবসায়ীরা এটিকে ‘ডিজিটাল চাঁদাবাজি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইজারাদার মো. আলামিন হোসেন বিরন বলেন, ‘বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের দোসররা এখান থেকে মুরগি প্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নিয়েছেন। সেই তুলনায় আমরা মাত্র ২ টাকা দাবি করছি, যা সরকারি নিয়মের মধ্যেই পড়ে।’
​তিনি আরও দাবি করেন, যারা আগে চাঁদাবাজি করেছে, তারাই এখন তাকে চাঁদাবাজ হিসেবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের প্রতি নমনীয়তা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যদি মুরগি প্রতি ১ টাকা থেকে ১.৫০ টাকাও দিতে সম্মত হন, তবে আমার কোনো আপত্তি নেই।’
এই বিতর্কিত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মুরগি প্রতি টাকা আদায় করার পদ্ধতিটিই ঝামেলার মূল কারণ। তাদের পরামর্শ, মুরগি প্রতি চাঁদা না নিয়ে প্রতিটি দোকানের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ইজারা নির্ধারণ করা হোক। এতে ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমবে এবং ইজারা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
​বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :