সাম্প্রতিক
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে ১২০০ মানুষের খাবার ও ফান্ড নিয়ে ছুটছে “কুমিল্লার জন্য আমরা” গ্রুপের ফাউন্ডার – ফজলুর রহমান ফাহিম কচুয়ায় ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগ চাচার বিরুদ্ধে পাবনায় ধর্ষণচেষ্টায় ২০ জুতার বাড়ি দিয়ে অভিযুক্তকে ছাড়ল ওয়ার্ড জামায়াত আমির জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন কুমিল্লায় ভারী বর্ষণে সদর হাসপাতালের ওয়ার্ডে হাঁটু পানি: রোগী ও পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি প্রস্তুত করা হচ্ছে: শিবির সভাপতি বিএনপি পাহারা না দিলে আওয়ামী লীগ এনসিপির নেতাদের গিলে ফেলত: রাশেদ খান মাছ শিকার করতে গিয়ে কটিয়াদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু মোহনগঞ্জে পুলিশের আটককৃত মাছ ধরার জাল ছিনিয়ে নিল জেলেরা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান

কুমিল্লায় ভারী বর্ষণে সদর হাসপাতালের ওয়ার্ডে হাঁটু পানি: রোগী ও পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

টানা ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে কুমিল্লা জেনারেল (সদর) হাসপাতালের নিচতলা। মাত্র তিন ঘণ্টায় রেকর্ড ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের ফলে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, চিকিৎসকদের কক্ষ ও করিডোরে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে যায়। এতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী, তাদের স্বজন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চরম বিপাকের পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টির কারণে হাসপাতালের নিচতলার পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডসহ জরুরি বিভাগে দ্রুত পানি ঢুকতে শুরু করে। শয্যাশায়ী অনেক রোগীর বিছানার কাছাকাছি পানি চলে আসায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নোংরা ও দূষিত পানির কারণে হাসপাতালের ভেতরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।
ভুক্তভোগী রোগীরা জানান, ওয়ার্ডের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় তারা শৌচাগার ব্যবহারসহ স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারছেন না। চিকিৎসক ও নার্সদেরও পানিতে ডুবে থাকা কক্ষের মধ্যেই সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
হাসপাতাল এলাকা ছাড়াও কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়, চকবাজার, রেসকোর্সসহ বেশ কয়েকটি প্রধান সড়ক ও নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে চলতি এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। অনেক শিক্ষার্থীকে হাঁটু পানি মাড়িয়ে, ভেজা কাপড়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেখা গেছে।
পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য বিশেষ দল কাজ শুরু করেছে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :