সাম্প্রতিক
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে ১২০০ মানুষের খাবার ও ফান্ড নিয়ে ছুটছে “কুমিল্লার জন্য আমরা” গ্রুপের ফাউন্ডার – ফজলুর রহমান ফাহিম কচুয়ায় ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগ চাচার বিরুদ্ধে পাবনায় ধর্ষণচেষ্টায় ২০ জুতার বাড়ি দিয়ে অভিযুক্তকে ছাড়ল ওয়ার্ড জামায়াত আমির জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন কুমিল্লায় ভারী বর্ষণে সদর হাসপাতালের ওয়ার্ডে হাঁটু পানি: রোগী ও পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি প্রস্তুত করা হচ্ছে: শিবির সভাপতি বিএনপি পাহারা না দিলে আওয়ামী লীগ এনসিপির নেতাদের গিলে ফেলত: রাশেদ খান মাছ শিকার করতে গিয়ে কটিয়াদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু মোহনগঞ্জে পুলিশের আটককৃত মাছ ধরার জাল ছিনিয়ে নিল জেলেরা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান

এই গরমে মরেই যাব: সালমান এফ রহমান

তীব্র গরমে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরানোয় চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে মানি লন্ডারিংয়ের আলাদা দুটি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আনার সময় পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘এই গরমে এসব পরে মরেই যাব। অনেক গরম, খুব গরম।’


এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয়।

আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান থেকে নামানোর পরপরই সালমান এফ রহমানকে হাতকড়ার পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরিয়ে দেন পুলিশ সদস্যরা। তখনই তিনি গরম নিয়ে তার তীব্র অসন্তোষের কথা জানান। এরপর একে একে গাড়ি থেকে নামানো হয় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানকে। তাদেরও কড়া পাহারায় আদালতের হাজতখানায় নেয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানি লন্ডারিং আইনের আলাদা দুটি মামলায় আজ তাদের আদালতে হাজিরার দিন ধার্য ছিল।

এদিকে, এই তিনজনকে নামানোর ঠিক পাঁচ মিনিট পর অন্য একটি প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে হাজির করা হয় সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মোহাম্মদপুরে মালবাহী ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় তাকে আজ আদালতে আনা হয়।

প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় পলকের মাথায় কোনো হেলমেট ছিল না এবং তিনি পুলিশের কাঁধে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন। সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে পলক বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে আসছি, দোয়া করবেন। ব্যথা এখনও রয়েছে।’ তবে তাকে ঠিক কোন হাসপাতাল থেকে আনা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি। পরে তাকেও পুলিশের পাহারায় ভেতরের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :