সাম্প্রতিক
বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল জব্দ পত্নীতলায় ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন যশোরে গ্রেফতার অমিত শাহ ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেন: রাহুল গান্ধির মন্তব্যে লোকসভায় তুমুল হট্টগোল আলিফের চোখের দৃষ্টি টোটালি শেষ, চিকিৎসকের বরাতে সার্জিস ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিতট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ নয়, হাইকোর্টের এমন আদেশ স্থগিত হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস আহত টিসিবির পণ্য নিতে এসে দেয়াল ধসে মেয়ের মৃত্যু সাংবাদিককে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদলেন মা প্রেমিকের সঙ্গে কথার সময় শিশুর কান্না ৩ বছরের সন্তানকে হত্যা মায়ের

বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে গরুর মাংস খাওয়া চলবে না: আসামের মুখ্যমন্ত্রীর হুমকি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে খাদ্যাভ্যাসের প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মন্তব্য করেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে। তার এ বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

কোচবিহারের নির্বাচনি জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে আর যাই হোক, গরুর মাংস খাওয়া চলবে না। অনেকেই মনে করছেন, মেরূকরণের রাজনীতিকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতেই গরুর মাংসকে হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ‘নিরামিষাশী’ দলের তকমা পাওয়া বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে দলটির নেতারা বিভিন্ন সময়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন।

হিমন্ত শর্মার সাম্প্রতিক বার্তায় সেটাই স্পষ্ট হলো। তিনি অবশ্য দাবি করেন, তৃণমূল এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আসামে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকলেও সাধারণভাবে মাছ-মাংস খাওয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে গরুকে পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই বাংলার ক্ষমতায় পরিবর্তন এলে গরুর মাংস খাওয়া ও গরু পাচার— দুইই কঠোর হাতে বন্ধ করা হবে।

তিনি দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মাংস খাওয়া বন্ধ হবে না, কেবল গোমাংসের কারবার বন্ধ হবে জেনেই ভয় পাচ্ছেন ‘দিদি’।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্যে একদিকে বাঙালির আমিষভোজী সংস্কৃতিকে সরাসরি আঘাত না করে অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে আনার কৌশল দেখা যাচ্ছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য ইস্যুর পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠছে। এছাড়া হিমন্ত বিশ্ব শর্মা গরু পাচার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :