সাম্প্রতিক
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক শুরু মতলবে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীসহ আটক ৩ ভুয়া তথ্যের জালে সমাজ, সচেতনতায় হতে পারে মুক্তি আখিঁ আক্তার নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নাকি চাপ: সাধারণ মানুষের চোখে নতুন বাজেট কলমাকান্দায় জনদুর্ভোগ কমাতে ইদ্রিস শেখের উদ্যোগে চার সাঁকো নির্মাণ বরিশালে চিকিৎসা অবহেলায় যুবদল নেতার মৃত্যু, সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হরমুজ পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করল ইরান, বাহরাইন-কুয়েতে হামলা সীমিত সম্পদে মানুষকে স্বস্তি দিতেই এবারের বাজেট : অর্থমন্ত্রী ফুটবল খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ের মুন্সিরহাটে লিচুর গাড়ি লোডকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

ভুয়া তথ্যের জালে সমাজ, সচেতনতায় হতে পারে মুক্তি আখিঁ আক্তার

বৃহস্পতিবার,১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সকালে ঘুম থেকে উঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকতেই চোখে পড়ে  চাঞ্চল্যকর খবর। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি হাজারো মানুষের মোবাইলে ছড়িয়ে যায়। কেউ যাচাই না করেই শেয়ার করেন, আবার কেউ মন্তব্যের মাধ্যমে খবরটিকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলেন। পরে জানা যায়, খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমন ঘটনা এখন প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে, আর এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো ভুয়া তথ্য বা ফেক নিউজ।
প্রযুক্তির উন্নতির ফলে তথ্য আদান-প্রদান যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি ভুয়া তথ্য ছড়ানোর সুযোগও বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বা বিভিন্ন পেজ থেকে যাচাইবিহীন তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কেবলমাত্র জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্যও এসব ভুয়া তথ্য তৈরি করা হয়।
গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তবে তথ্য প্রকাশের প্রতিযোগিতায় কখনো কখনো যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি দেখা যায়। ফলে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এ কারণে সংবাদ প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব।
সাধারণ জনগণেরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কোনো তথ্য দেখেই তা বিশ্বাস বা শেয়ার না করে প্রথমে এর উৎস যাচাই করা উচিত। সরকারি বা স্বীকৃত গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে কি না, একাধিক সূত্রে একই তথ্য পাওয়া যাচ্ছে কি না—এসব বিষয় খেয়াল করলে ভুয়া তথ্যের বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং তথ্য যাচাইয়ের অভ্যাস গড়ে তোলাই ভুয়া তথ্য মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং গণমাধ্যম—সবাইকে এ বিষয়ে একযোগে কাজ করতে হবে।”

Tags:

সম্পর্কিত খবর :