মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় সাইঁজির বারামখানা খ্যাত ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্স পুনরায় খোলা হয়েছে। এতে সংগৃহীত হয়েছে নগদ ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে লালন একাডেমি প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সিলগালা কেটে মাজারের দুটি দানবাক্স খোলা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জাকির হোসেন, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আখড়াবাড়িতে সমাগম ঘটে লাখো ভক্ত ও দর্শনার্থীর। উৎসব শেষ হওয়ার সাতদিন পর আজ সর্বসমক্ষে মাজারের দানবাক্স দুটি খোলা হয়।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্স খুলে গণনা করা হয়েছিল। সে সময় দানবাক্স থেকে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া যায়, যা পরবর্তীতে লালন একাডেমির অফিশিয়াল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম বলেন, “ফকির লালন শাহের দুটি প্রধান বার্ষিক উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরে সাধারণত চারবার মাজারের দানবাক্স খোলা হয়। তিরোধান দিবস পরবর্তী ধারাবাহিকতায় আজ দানবাক্স খুলে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। সংগৃহীত সব টাকা আজই লালন একাডেমির নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করা হচ্ছে।” এমআই/বার্তা বাজার




