সাম্প্রতিক
খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন ৯ জুলাই, অংশ নিবে ২ কোটি মানুষ আগামী ৩০ দিন হরমুজের একক নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকবে: আরাঘচি এত ব্যাংকের দরকার নেই বাংলাদেশে: মাহবুব উদ্দিন খোকন কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারীতে অসহনীয় লোডশেডিং: জনজীবনে চরম ভোগান্তি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাচ্ছে বাবুগঞ্জের ২০ হাজারের বেশি শিশু, ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বরিশালে ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১,এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানকে সাধুবাদ এলাকাবাসীর হুদরোগের ঝুঁকি নির্ণয়ে চট্টগ্রামে ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ তাড়াশে মাদক সেবনের অভিযোগে যুবক আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে তুলে দিল এলাকাবাসী করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের এ বছরই দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারীতে অসহনীয় লোডশেডিং: জনজীবনে চরম ভোগান্তি

কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলাসহ নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে ও রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা, দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজ এবং স্বাস্থ্যসেবায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।

 

জেলার সদর উপজেলাসহ সীমান্তবর্তী নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দিনে ও রাতে বিদ্যুতের কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়ার খেলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে শিক্ষার্থী। তারা জানায়, দিনের বেলায় প্রচণ্ড গরমে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়ছে। রাতে বিদ্যুৎ না থাকলে পড়ালেখার পরিবেশ থাকে না। শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে, “বিদ্যুৎ গেলে কিছুই দেখা যায় না। দিনের বেলা ও রাতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে মোমবাতি বা মোবাইল ফোনের টর্চ লাইট জ্বালিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে, যা চোখের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি এতে পড়ালেখায় মনোযোগ ধরে রাখাও অসম্ভব।”

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে রান্নাঘর ও শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপরও। গৃহিণীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় সঠিক সময়ে রান্না করতে না পারায় পরিবারের সদস্যদের সময়মতো খাওয়া-দাওয়া করতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি, তীব্র গরমে ছোট শিশুরা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। রাতের বেলা মশার উপদ্রব এবং ভ্যাপসা গরমে শিশুদের স্বাভাবিক ঘুম নষ্ট হচ্ছে, যা তাদের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় কুড়িগ্রাম সদরসহ এই অঞ্চলের মানুষ নিয়মিত অসহনীয় লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছে। তারা বলেন, “প্রচণ্ড গরমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা পাওয়া আমাদের নাগরিক অধিকার। কিন্তু আমরা সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।”

 

কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারীর সচেতন মহলের দাবি, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত এই লোডশেডিং সমস্যার সমাধান করে। তারা অবিলম্বে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, যাতে জনদুর্ভোগ লাঘব হয় এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা পায়।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :